Chelsea Vs Tottenhem
Chelsea Vs Tottenhem

লন্ডন ডার্বিতে চেলসিকে হারিয়ে বড় জয় টটেনহ্যামের

Bengal Liberty : লন্ডন ডার্বিতে চেলসির ঘরের মাঠে দাপুটে জয় টটেনহ্যাম হটস্পারের। শনিবার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে চেলসিকে ২-০ গোলে হারাল টটেনহ্যাম। ম্যাচের শেষদিকে দুই গোল করে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিল রবার্তো ডি জার্বির দল। অন্যদিকে, এই হারে হতাশ চেলসি সমর্থকরা।

প্রথমার্ধে দাপট টটেনহ্যামের

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে টটেনহ্যাম। প্রথমার্ধে প্রায় ৭০ শতাংশ বলের দখল ছিল স্পার্সদের কাছে। তবে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি তারা। ওমর মারমুশের সামনে সুযোগ এলেও তা কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, চেলসির হয়ে কোল পামার ও জর্ডান হেন্ডারসনের প্রচেষ্টা আটকে দেন টটেনহ্যাম গোলরক্ষক আন্তোনিন কিনস্কি। ফলে প্রথমার্ধের শেষে গোলশূন্য অবস্থাতেই সাজঘরে ফেরে দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচে দাপট বজায় রাখে টটেনহ্যাম। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে আসে প্রথম গোল। মাতেউস ফার্নান্দেসের কর্নার থেকে বল বিপজ্জনক জায়গায় পৌঁছলে চেলসির গোলরক্ষক মাইক পেন্ডার্সের হাত থেকে বল ছিটকে নিজেদের জালেই জড়িয়ে যায়। টটেনহ্যামের ডিফেন্ডার জান পল ভ্যান হেকে চাপ তৈরি করায় সেই পরিস্থিতিতে বিপদ এড়াতে পারেননি চেলসি গোলরক্ষক।

গোল হজমের পর আরও চাপে পড়ে চেলসি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে কোনর গ্যালাঘারের বিরুদ্ধে ফাউলের কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন কোল পামার। ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় চেলসির তারকা ফুটবলারকে।

এরপর ম্যাচের ৮৭ মিনিটে দুরন্ত একক প্রচেষ্টায় টটেনহ্যামের হয়ে দ্বিতীয় গোল করেন ম্যাথিস তেল। বাম দিক থেকে বল নিয়ে এগিয়ে এসে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে নিচু শটে জালে বল জড়িয়ে দেন তিনি। তেলের দুর্দান্ত গোলে ম্যাচের ভাগ্য কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়।

চেলসির মাঠে এই জয় টটেনহ্যামের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘ আট বছর পর প্রিমিয়ার লিগে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে জয় পেল স্পার্সরা। পাশাপাশি, কোচ রবার্তো ডি জার্বির অধীনে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াল টটেনহ্যাম।

অন্যদিকে, চেলসির কোচ জাবি আলোনসোর কাছে এই হার বড় ধাক্কা। ঘরের মাঠে গোল করতে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি পামারের লাল কার্ডও দলের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিল।

Pushpak Bhattacharya
পুষ্পক ভট্টাচার্য

পুষ্পক ভট্টাচার্য একজন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করার পর ২০২৬-এ Bengal Liberty-তে সাংবাদিক হিসেবে তাঁর পেশাগত যাত্রা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ এবং ক্রীড়া সাংবাদিকতার প্রতি বিশেষ আগ্রহ। দেশ-বিদেশের সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং খেলাধুলার নানা বিষযয়ের প্রতি বিশেষ ঝোঁক। ব্যস্ততার বাইরে বই ও সিনেমা সঙ্গী।