Bengal Liberty : চার গোলের বড় ব্যবধানে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়ে নজর কাড়ল কোমো। ৪-১ গোলের দাপুটে জয়ে রেড ডেভিলসকে কার্যত স্তব্ধ করে দিল ইতালির ক্লাবটি। ম্যাচজুড়েই কোমোর দাপটের সামনে দাঁড়াতে হিমশিম খেল ইউনাইটেড। অন্যদিকে, দুরন্ত পারফরম্যান্সে নিজেদের শক্তির পরিচয় দিল কোমো। এই হার নিঃসন্দেহে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের কাছে বড় ধাক্কা।
নিকো পাজের জোড়া গোল, দুভিকাস-রামনের ঝলক
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের লড়াই দেখা যায়। তবে সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে ছিল কোমো। ম্যাচের ২ মিনিটেই নিকো পাজের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
লুকাস দা কুনহার পাস থেকে দুরন্ত ফিনিশে জাল খুঁজে নেন পাজ। শুরুতেই গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও আর গোল করতে পারেনি কোমো। অন্যদিকে, ইউনাইটেডও গোলের সন্ধানে একাধিক চেষ্টা চালায়। কিন্তু কোমোর জমাট রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয় রেড ডেভিলস। ফলে প্রথমার্ধের শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকে কোমো।
আরও খবর
বিরতির পরেই ভেঙে পড়ল ইউনাইটেড
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ফের গোল হজম করে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। ৪৯ মিনিটে আনাস্তাসিওস দুভিকাসের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে কোমো। নিকো পাজের নিখুঁত পাস থেকে গোল করেন দুভিকাস। এই গোলের পর ম্যাচে ফেরার জন্য আরও মরিয়া হয়ে ওঠে ইউনাইটেড। কিন্তু ৫৭ মিনিটে নিকো পাজের দ্বিতীয় গোল কার্যত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। মাঝমাঠে বল হারানোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সে ঢুকে ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ান আর্জেন্টাইন তারকা। কোমোর আক্রমণের সামনে তখন কার্যত দিশেহারা ইউনাইটেডের ফুটবলাররা।
ম্যাচের শেষ লগ্নে গোলের মুখ খোলে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডও। ৯০+১ মিনিটে জশুয়া জির্কজির গোলে ব্যবধান কমায় রেড ডেভিলস। আমাদ দিয়ালোর ক্রস থেকে বল নিয়ন্ত্রণে এনে গোল করেন জির্কজি। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলেই জয় ছিনিয়ে নেয় কোমো।
সব মিলিয়ে, কোমোর কাছে এই জয় নিঃসন্দেহে স্মরণীয়। অন্যদিকে, চার গোল হজম করে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের রক্ষণ নিয়ে উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্ন। নিকো পাজের দুরন্ত পারফরম্যান্স এবং কোমোর আক্রমণাত্মক ফুটবলই হয়ে রইল ম্যাচের মূল আকর্ষণ।


