Bengal Liberty : রাজ্যে সরকার বদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো (CM Suvendu Adhikari)। তাই এই পুজোকে ঘিরে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে নতুন সরকার। মহালয়া থেকেই শুরু হবে একাধিক আয়োজন। পুজো কমিটিগুলির জন্য সরকারি অনুদান, বিদ্যুতে ছাড়, বিভিন্ন সরকারি ফি মকুব থেকে শুরু করে পুজো কার্নিভ্যাল-সবকিছু নিয়েই তৈরি হয়েছে পরিকল্পনা। সোমবার মিলন মেলায় পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে সেই পরিকল্পনার বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এখন সবচেয়ে বেশি আগ্রহ এখন একটাই প্রশ্নে-এ বার সরকারি পুজো অনুদান কত হবে এবং আদৌ সব পুজো কমিটি তা পাবে কি না (CM Suvendu Adhikari)?

অনুদান নিয়ে জল্পনা (CM Suvendu Adhikari)
পুজো কমিটিগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা সরকারি অনুদান নিয়ে। গত জুনে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, যাঁরা সরকারি অনুদানের উপর নির্ভর করেই পুজোর আয়োজন করেন, তাঁদের অনুদান দেওয়া হবে। তবে যাঁদের আর্থিক প্রয়োজন নেই, তাঁদের অনুদান দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও স্পষ্ট করেছিলেন তিনি।
তৃণমূল সরকারের আমলে শেষবার পুজোর অনুদান ২৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করা হয়েছিল। কলকাতা ও রাজ্য মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার পুজো কমিটি সেই অনুদান পেয়েছিল। পাশাপাশি বিদ্যুতের বিলে ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছিল। দমকল-সহ বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার খরচও মকুব করা হয়েছিল। এ বার নতুন সরকারের প্রথম দুর্গাপুজোয় সেই সুবিধাগুলির কী হবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে কৌতূহল। বিশেষ করে সম্প্রতি রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে একাধিক আয়োজককে ৫ লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়ায় দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদানের অঙ্ক নিয়েও প্রত্যাশা বেড়েছে। তবে সব পুজো কমিটিকে অনুদান দেওয়া হবে কি না, দেওয়া হলে কত টাকা দেওয়া হবে-এখনও তার স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার দিকেই তাকিয়ে পুজো কমিটিগুলি।
আরও খবর

একাধিক নতুন ভাবনা (CM Suvendu Adhikari)
শুধু অনুদান নয়, দুর্গাপুজোর সামগ্রিক আয়োজন নিয়েও একাধিক পরিকল্পনা করেছে সরকার। মাতৃমূর্তির রূপ, পুজোর আচার এবং ভোগদানের মতো বিষয় নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মহল থেকে নানা মতামত ও বক্তব্য সামনে এসেছে। এসব নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। ফলে নতুন সরকারের প্রথম পুজোয় এই বিষয়গুলিতে সরকারের অবস্থান কী হবে, তা নিয়েও আগ্রহ রয়েছে। নবান্ন সূত্রের খবর, দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। মহালয়া থেকে শুরু করে পুজোর দিনগুলির বিভিন্ন আয়োজন এবং পরবর্তী সময়ে পুজো কার্নিভ্যাল-সমস্ত বিষয়েই সরকারের ভাবনা সোমবার সামনে আনবেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/09/07/nadimul-haque-2/


