Bengal Liberty:
তারাতলার ঘটনায় নিহত এবং আহতদের ক্ষতিপূরণ দিল রাজ্য সরকার (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার নবান্ন সভাঘরে আয়োজিত সভায় এক সভায় তাদের নিহতদের ১০ লক্ষ এবং আহতদের এক লক্ষ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

নিহতদের পরিবারকে চাকরি
প্রয়াত শ্রমিকের স্ত্রী শিউলি রজক মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, ক্ষতিপূরণের টাকায় তো তাঁর সারাজীবন চলবে না, কন্যা সন্তান রয়েছে, তাঁর জন্য যেন একটা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়। তাঁর উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী জানান, শ্রম দফতরের অধীনে থাকা স্কিমে এ ক্ষেত্রে কী কীভাবে সাহায্য করা হয়, তা দেখা হবে। সঙ্গে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং কলকাতা পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডের শ্রম সচিব রচনা ভগত বিষয়টি খতিয়ে দেখে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠালে, তাতে সম্মতি দেবেন তিনি। ওই ঘটনায় যদি আমরা সকলকে জীবিত ফেরাতে পারতাম তাহলে বেশি ভাল লাগত। আমরা ১৬ জনকে বাঁচাতে পারিনি, এর জন্য আমাদের দুঃখ আছে, করুণা আছে। আমরা আগামী দিনে চেষ্টা করব যাতে এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। যাঁরা আহত বা নিহত হয়েছে, তাদের পরিবার অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষ। রুটি রুজির জন্যই আপনারা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেন। সব পরিস্থিতিতেই আপনাদের সরকার আপনাদের পাশে রয়েছে।
কাকিনাঁড়ার বাসিন্দা আরমান খান নামে এক শ্রমিক বলেন, ‘‘ঘটনার পর আমরা তিন ঘণ্টা চাপা পড়েছিলাম। তারপর আমাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। দু’তিন দিনের মধ্যে ছেড়ে দিয়েছিল। তাই চিকিৎসা ভাল করে হয়নি। আমার হাত ভাঙা, ভাড়া বাড়িতে থাকি। রোজ আনি, রোজ খাই।’’ এই বিষয়টি দেখার জন্য রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শ্বারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।


