new national working president of bjp
Bengal liberty: বিহারের রাজনীতিতে তিনি অতি পরিচিত মুখ। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তাও ব্যাপক। রাজনৈতিক পরিবারে বড় হয়ে ওঠা তাঁর। তবে জাতীয় রাজনীতিতে তিনি অতটা সক্রিয় নন। তিনি বিহারে নীতিশ কুমারের (Nitish Kumar) মন্ত্রিসভায় সড়ক নির্মাণ দফতরের মন্ত্রী নীতিন নবীন (Nitin Nabin)।
সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি হলেন নবীন (new national working president of bjp)
আজ, রবিবার সেই নীতিন নবীনকেই সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি নিযুক্ত করল ভারতীয় জনতা পার্টি (new national working president of bjp)। নবনিযুক্ত জাতীয় কার্যকরী সভাপতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (PM Narendra Modi) । এ দিন দুপুরে এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। সেখানে বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং (Arun Singh) বলেন, “বিজেপির পার্লামেন্টারি বোর্ড বিহারের মন্ত্রী নীতিন নবীনকে সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি হিসাবে নিযুক্ত করেছে।”
কে এই নীতিন নবীন?(new national working president of bjp)
প্রবীণ বিজেপি নেতা এবং প্রাক্তন বিধায়ক নবীন কিশোর প্রসাদ সিনহার পুত্র নীতিন নবীন। ছাত্র রাজনীতি থেকে বিভিন্ন দলীয় পদে ধীরে ধীরে উঠে এসেছেন তিনি। দক্ষ সংগঠক হিসেবে দলে পরিচিতি রয়েছে তাঁর। ইতিমধ্যেই বিহার বিজেপির অন্দরে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দক্ষ ভাবে সামলেছেন তিনি। বর্তমানে বাঁকিপুর বিধানসভা তাঁর গড়। পরপর চারবার জিতেছেন। চলতি বছর বিধানসভা ভোটেও RJD -র রেখা কুমারীকে (Rekha Kumari) ৫১ হাজারেরও বেশি ভোটে হারিয়ে জয়ী হন তিনি। বর্তমানে নীতীশ কুমারের মন্ত্রিসভার মন্ত্রী তিনি।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বিধানসভা ভোটে বিপুল জয়ের পরে নীতিনকে সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি করা আদতে বিহারবাসীর জন্য বড় ‘উপহার’।
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে জে পি নাড্ডার মেয়াদ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু প্রায় ২ বছর হয়ে গেল দলের নতুন সভাপতি নির্বাচন করতে পারেনি ভারতীয় জনতা পার্টি। রবিবার দলের পার্লামেন্টারি পার্টি একজন জাতীয় কার্যকরী সভাপতি নিয়োগ করল(new national working president of bjp)।
বিজেপির পার্লামেন্টারি কমিটির ঘোষণার পরে নীতিনের প্রশংসা করে নিজের এক্স হ্যান্ডলে
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) লেখেন, “নীতিন বিজেপির পরিশ্রমী কর্মী। তরুণ এবং উদ্যমী নেতা। সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাও রয়েছে। মন্ত্রী হিসাবে তাঁর কাজের রেকর্ডও অত্যন্ত প্রশংসনীয়।”
