Matua Clash between Shantanu-Mamatabala
Bengal liberty Desk, ২৪ ডিসেম্বর, কলকাতা: ফের রণক্ষেত্র ঠাকুরনগরের মতুয়াবাড়ি। SIR আবহে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে (Thakurnagar)। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের অনুগামীদের সঙ্গে অশান্তি বাধল কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) অনুগামীদের (Matua Clash between Shantanu-Mamatabala)। মতুয়াদের মধ্যেই মারপিট ও ধস্তাধস্তির সৃষ্টি হয়। বাকবিতণ্ডা চরম আকার নিলে মাটিতে ফেলে মারধরের অভিযোগ ওঠে উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনা প্রসঙ্গে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) ।
শান্তনু ঠাকুর দাবি করেন, মমতাবালার লোকজনেরা এসে তাঁদের উপর হঠাৎ চড়াও হন। তাঁদের মাটিতে ফেলে মারধর করা হয়। শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রীও বলেছেন, যারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, তাঁদের ওপরে চড়াও হয়েছেন তাঁরা হার্মাদ বাহিনী, দুষ্কৃতী! ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল তা স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন শান্তনু ঠাকুর (Matua Clash between Shantanu-Mamatabala)।
পাশাপশি শান্তনু ঠাকুরপন্থীদের অভিযোগ, যাঁরা তাঁদের উপর চড়াও হয়েছিল তাঁরা কেউই মতুয়া নন! প্রত্যেককে মমতাবালা ঠাকুর মতুয়া সাজিয়ে পাঠিয়েছেন এই পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য। তাঁর পাশাপশি তিনি আরও বলেন, যাঁরা এই কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে তাঁরা প্রত্যেকেই তৃণমূলের (TMC) লোক।
জানা গিয়েছে, বাগদার (Bagda) এক সভায় বক্তৃতার সময় শান্তনু CAA এবং SIR নিয়ে সওয়াল করেন। সেখানেই তাঁর একটি বক্তব্যকে নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। তিনি বলেন, “৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারীর নাম বাদ দিতে গিয়ে যদি এক লক্ষ মতুয়াকে ভোটদান থেকে বিরত থাকতে হয়, তা মেনে নিতে হবে।” তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি (Bangladeshi), পাকিস্তানি (Pakistani) মুসলমানদের নাম বাদ দিতে গিয়ে যদি এক লক্ষ মতুয়াকে ভোটদান থেকে বিরত থাকতে হয়, সেটা ‘লাভজনক’ মনে করেছিলেন শান্তনু। এটা নিয়ে মতুয়াদের মধ্যেই ধন্দ, ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়। শান্তনুর (Shantanu Thakur) মন্তব্যে তৈরি হয় বিতর্ক (Matua Clash between Shantanu and Mamatabala)।
তারপরই শান্তনুর মন্তব্যকে হাতিয়ার করে আসরে নামে তৃণমূল। ঠাকুরবাড়ির আর এক সদস্য মমতাবালা ঠাকুর বুধবার শান্তনুর বাড়ি ঘেরাও অভিযানের ডাক দেন। মমতাবালার (Mamatabala Thakur) দাবি, সম্প্রতি শান্তনু ঠাকুর SIR-এ ১ লক্ষ মতুয়াদের নাম বাদ যাওয়ার যে কথা বলেছিলেন তাতে প্রবল আশঙ্কিত তাঁরা। সেই প্রেক্ষিতে মিছিল করে তাঁর কাছে জবাব চাইতে এসেছিলেন তাঁরা। তারপরই তৈরি হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতির। যদিও, ঠাকুরবাড়ির সদস্য শান্তনু বলেন, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করেছেন মমতাবালা (Matua Clash between Shantanu-Mamatabala)।
