Maharashtra Civic Polls
Bengal liberty Desk, ৩ জানুয়ারি, মহারাষ্ট্র: ভোটের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই কার্যত ফলের ছবি পরিষ্কার (Maharashtra Civic Polls)। মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) পুর ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাজোট (BJP-led Mahayuti) যে জনসমর্থনের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে, তারই জোরালো প্রমাণ মিলল মনোনয়ন পর্ব শেষ হতেই। ভোট হতে এখনও প্রায় দুই সপ্তাহ বাকি থাকলেও, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন ৬৮ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ৪৪ জনই বিজেপির (BJP)। রাজনৈতিক মহলের মতে, এটি শুধু সংখ্যা নয়-এটি রাজ্যের শহর ও মফস্বলে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন (Maharashtra Civic Polls)।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় (Maharashtra Civic Polls)

শুক্রবার ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন (Maharashtra Civic Polls)। নির্ধারিত সময়ের পর দেখা যায়, বিরোধী জোটের বহু প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই একাধিক আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় নিশ্চিত হয় মহাজোটের প্রার্থীদের (Mahayuti Candidate)। বিজেপি শিবিরের দাবি, উন্নয়ন, স্থিতিশীল প্রশাসন এবং স্বচ্ছ স্থানীয় শাসনের ওপর মানুষের আস্থাই বিরোধীদের মনোবল ভেঙে দিয়েছে (Maharashtra Civic Polls)।
একপেশে সাফল্য গেরুয়া শিবিরের (Maharashtra Civic Polls)

এর আগেই মহারাষ্ট্রের পুর ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে একপেশে সাফল্য পেয়েছে গেরুয়া শিবির (Maharashtra Civic Polls)। রাজ্যের ২৮৮টি নগর পরিষদ ও পঞ্চায়েতের মধ্যে ১২৯টির দখল নিয়েছে বিজেপি। বিশেষ করে থানে জেলার কল্যাণ-ডোম্বিভিলি (Dombivilli) পুরসভা এলাকায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। পাশাপাশি পুণে (Pune), পিম্পরি-চিনচাওয়াড়(Pimpri-Chinchwad), পনভেল (Panvel), ভিওয়ান্ডি(Bhiwandi), ধুলে (dhule), জলগাঁও (Jalgaon) ও আহিল্যনগরেও একই প্রবণতা চোখে পড়েছে। এই অঞ্চলগুলি শিল্প, নগরায়ণ ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ-যেখানে বিজেপির উন্নয়নমুখী রাজনীতির প্রভাব স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
জয়ীদের সিংহভাগ বিজেপি (Maharashtra Civic Polls)

জয়ী প্রার্থীদের তালিকায় সিংহভাগই বিজেপির (Maharashtra Civic Polls)। পাশাপাশি শিবসেনার শিণ্ডে শিবিরের ২২ জন এবং অজিত পওয়ারের এনসিপি থেকে দু’জন প্রার্থী রয়েছেন। পুণের ওয়ার্ড নম্বর ৩৫-এ মঞ্জুষা নাগপুরে ও শ্রীকান্ত জগতাপ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, পুণেতে মোট ১২৫টি আসনে ভোট হওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই দু’টি আসন মহাজোটের দখলে চলে যাওয়া বিজেপির সংগঠনী প্রস্তুতিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে (Maharashtra Civic Polls)।
কেশব উপাধ্যায়ের বক্তব্য (Maharashtra Civic Polls)
বিজেপি মুখপাত্র কেশব উপাধ্যায়ের কথায়, এই আগাম জয় রাজ্যের শহরাঞ্চলে দলের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রমাণ। তাঁর দাবি, পুর নিগম ও স্থানীয় স্বশাসন স্তরে বিজেপির উন্নয়নমূলক কাজ, পরিকাঠামো গড়ে তোলা এবং পরিষেবা ব্যবস্থার উন্নতিই মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। কেন্দ্র ও রাজ্যে সমন্বিত প্রশাসনের সুফল যে সাধারণ মানুষ পাচ্ছেন, এই ফলাফল তারই প্রতিফলন (Maharashtra Civic Polls)।
বিরোধীদের স্পষ্ট জবাব (Maharashtra Civic Polls)

অন্য দিকে বিরোধীরা নানা অভিযোগ তুললেও বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্টভাবে তা খারিজ করেছে। তাদের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন, যা নির্বাচনী রাজনীতিরই অঙ্গ। বাস্তবে মানুষের সমর্থন যেখানে নেই, সেখানে লড়াইয়ে নামতে অনীহাই স্বাভাবিক (Maharashtra Civic Polls)।
সব মিলিয়ে, ১৫ জানুয়ারি ২৯টি পুর নির্বাচনের (Maharashtra Civic Polls) ভোটগ্রহণের আগেই মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ময়দানে স্পষ্ট বার্তা-বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাজোট শুধু সংখ্যার নিরিখে নয়, সংগঠন ও জনসমর্থনের দিক থেকেও শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে। ভোটের দিনে সেই দাপট কতটা আরও বাড়ে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল (Maharashtra Civic Polls)।
