Bengal Liberty, Kolkata:
হুগলির বাঁশবেড়িয়ায় এসআইআর (SIR) শুনানিকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তি বলেন, “প্রমাণ করতে এসেছি আমি বাবার ছেলে।” পাশাপাশি তিনি বলেন কথাটা শুনে হাসি এবং হতভম্ব দুটোই হচ্ছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির বাঁশবেড়িয়ার সপ্তগ্রামে (Banshberia, Saptagram)। কিন্তু এই ঘটনার কারণ কী?

হুগলির বাঁশবেড়িয়ার (SIR Hearing Banshberia)সপ্তগ্রাম পঞ্চায়েতের ৮৭ নম্বর বুথের ভোটার দিলশাদ আনসারি। তাঁর নাম ভোটার তালিকায় ছিল, বাবার নামও নথিভুক্ত। এসআইআরের গণনাপত্র যথাযথভাবে পূরণ করেছিলেন তিনি। তবু শুনানির নোটিস এসেছে। কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে—তাঁর বাবার সন্তানের সংখ্যা নিয়ে নথিভুক্ত তথ্যে অসামঞ্জস্যতা আছে। দিলশাদের কথায়, “আমি তো জানতাম আমরা চার ভাই। নোটিস পেয়ে জানলাম, নাকি ছয় ভাই!” তিনি শুনানির ডাক পাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, ” আমাদের চার ভাই বাদে আরও দু’জন আমাদের বাবাকে তাঁদের বাবা বলে দাবি করেছেন।’’

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, ভোটার তালিকায় একাধিক জায়গায় একই অভিভাবকের নাম থাকলে যাচাই প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক। এতে কারও ব্যক্তিগত সম্মানহানি নয়, বরং ভবিষ্যতে ভুয়ো ভোটার ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা রুখতেই এই পদক্ষেপ। দিলশাদ নিজেও স্বীকার করেছেন, তলবের কারণ পড়ে তাঁর হাসি পেলেও তিনি শুনানিতে হাজির হয়েছেন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে।



