Anandapur warehouse fire
Anandapur warehouse fire

মৃত্যুপুরী আনন্দপুর: লাশের মিছিল, (Anandapur warehouse fire)সংখ্যা বেড়ে ২৩! তিনদিনেও এলেন না মুখ্যমন্ত্রী

Bengal Liberty, কলকাতা: আনন্দপুর যেন এখন মৃত্যুপুরী(Anandapur warehouse fire)। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের তিন দিন পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি উদ্ধার ফরেনসিক তদন্ত(Anandapur warehouse fire)। একের পর এক ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার হচ্ছে—মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৩। কিন্তু এখনও বহু দেহের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। স্বজনহারা পরিবারের আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠেছে নাজিরাবাদ এলাকা(Anandapur warehouse fire)।

অথচ এই ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যেও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে(Anandapur warehouse fire) ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি – এই অনুপস্থিতিই এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিতর্কের কেন্দ্রে।

Anandapur warehouse fire
Anandapur warehouse fire

৩ দিনেও ফরেনসিক তদন্ত শেষ নয়(Anandapur warehouse fire)

সূত্রের খবর, আগুনে দগ্ধ গোডাউনটি কার্যত ছিল একটি ‘জতুগৃহ’। তিন দিন পেরিয়েও ফরেনসিক দল তদন্ত শেষ করতে পারেনি। দেহ শনাক্তে বিলম্বে ক্ষোভ বাড়ছে মৃতদের পরিবারের মধ্যে। প্রশ্ন উঠছে—এত বড় ঘটনার পরও কেন তদন্তে এই ধীরগতি?

Anandapur warehouse fire
Anandapur warehouse fire

গোডাউন মালিক তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ? উঠছে গুরুতর অভিযোগ(Anandapur warehouse fire)

স্থানীয় সূত্রের দাবি, অগ্নিদগ্ধ গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাস তৃণমূল কংগ্রেসের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। অভিযোগ, একাধিক অনিয়ম সত্ত্বেও তাঁকে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। জলাজমি ভরাট করে কীভাবে ফ্যাক্টরি ও গোডাউন তৈরির অনুমতি মিলল—এই প্রশ্নে সরাসরি কাঠগড়ায় রাজ্য প্রশাসন।

Anandapur warehouse fire
Anandapur warehouse fire

মানুষ মরলে দেখা যায় না, ক্ষমতাবানদের বাড়ি গেলে সময় হয়?(Anandapur warehouse fire)

এই অগ্নিকাণ্ডে রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ উঠেছে বিরোধী শিবিরে। খোলা তারে সাধারণ মানুষ মারা গেলে মুখ্যমন্ত্রীর দেখা মেলে না। আনন্দপুরে ২৩ জন পুড়ে মারা গেলেও তিনি যাননি।সন্দেশখালিতে মা-বোনেদের কান্নাতেও যাননি।কিন্তু প্রয়োজনে প্রতীক জৈনের বাড়ি, রাজীব কুমারের বাড়ি—সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি সম্ভব হয়।

এই বৈপরীত্যই রাজ্যের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

Anandapur warehouse fire
Anandapur warehouse fire

‘মৃত্যুর রেট’ বেঁধে দিল সরকার?(Anandapur warehouse fire)

রাজ্য সরকারের তরফে ঘোষিত ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিরোধীদের কটাক্ষ—
“টাকা দিয়ে কি মানুষের জীবনের দাম নির্ধারণ করা যায়?” এই ঘটনায় রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব কার্যত দায় এড়াচ্ছে বলেই অভিযোগ।

Anandapur warehouse fire
Anandapur warehouse fire

দায় কার? কৈফিয়ত চাই ফিরহাদ হাকিমের কাছে(Anandapur warehouse fire)

জলাজমি ভরাট, বেআইনি গোডাউন, অগ্নি-নিরাপত্তার ঘাটতি—সব মিলিয়ে দায় কার, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের দিকেও। বিরোধীদের দাবি, এই ঘটনায় তাঁকে প্রকাশ্যে কৈফিয়ত দিতে হবে।

শুভেন্দু অধিকারীর আগমনের আগেই ১৬৩ ধারা(Anandapur warehouse fire)

এই ঘটনার প্রতিবাদে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর এলাকায় যাওয়ার আগেই ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। অভিযোগ, মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বদলে সরকার ভয় পাচ্ছে প্রতিবাদ থেকে।

Anandapur warehouse fire
Anandapur warehouse fire

প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে(Anandapur warehouse fire)

২৩ জন মানুষের মৃত্যু কি শুধুই একটি দুর্ঘটনা?
নাকি রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা, প্রশাসনিক গাফিলতি ও কর্পোরেট-পোষ্য ব্যবস্থার ফল?

আনন্দপুরে এখন শুধু আগুন নয়—জ্বলছে প্রশ্ন, ক্ষোভ আর ন্যায়বিচারের দাবি।

Bengal liberty
Bengal liberty

Bengal Liberty is a platform dedicated to guerrilla, unfiltered, and independent journalism. Through YouTube, its official website, and various social media channels, Bengal Liberty seeks to present citizen journalism to the public with integrity and transparency. Editor: Bittu Roy Chowdhury