Anandapur incident
Bengal Liberty , কলকাতা – দক্ষিণ কলকাতার আনন্দপুরের নাজিরাবাদে (Anandapur Incident) একটি অনলাইন মোমো তৈরির কারখানায়(Anandapur fire incident) রবিবার গভীর রাতে লাগে (Fire Incident)। সেই বিধ্বংসী আগুনে কার্যত মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে গোটা এলাকা (Fire in Kolkata)। অগ্নিকাণ্ডের ২৭ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও একাধিক পকেটে ধিকিধিকি করে জ্বলছে আগুন।

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ঘটনায় অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে (Deaths)। পাশাপাশি জানা গেছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩০ জন নিখোঁজ, যাঁদের কাউকেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের খোঁজে উৎকণ্ঠায় প্রহর গুনছে পরিবারগুলি(Anandapur fire incident)।

মৃত ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ (Anandapur fire incident)
সূত্রের খবর, আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার মৃতদের ডিএনএ প্রোফাইল হবে(Anandapur fire incident)। নিকটাত্মীয়দের থানায় ডাকা হয়েছে ইতিমধ্যেই। বাঙ্গুর হাসপাতালে প্রোফাইল ম্যাচিং হতে পারে। এরপর কাটাপুকুর মর্গে ময়নাতদন্ত হতে পারে বলে জানা গেছে(Anandapur fire incident)।
ঘটনার বৃত্তান্ত?(Anandapur fire incident)
স্থানীয় ও দমকল সূত্রে খবর, রাত আনুমানিক দেড়টা থেকে তিনটের মধ্যে আগুন লাগে কারখানাটিতে। যেহেতু এটি একটি খাদ্য তৈরির কারখানা, তাই সেখানে বিপুল পরিমাণ পাম তেল এবং বেশ কয়েকটি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ছিল(Anandapur fire incident)। দাহ্য পদার্থের উপস্থিতির কারণে আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং কালো ধোঁয়ায় গোটা এলাকা ঢেকে যায়(Anandapur fire incident)। আগুনের তীব্রতার জেরে একাধিক সিলিন্ডার বিস্ফোরণও ঘটে বলে সূত্রের খবর।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন(Anandapur fire incident)। কিন্তু এলাকাটি ঘিঞ্জি হওয়ায় এবং সরু গলিপথ থাকায় দমকল কর্মীদের আগুন নেভানোর কাজে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। সকাল পর্যন্ত দমকল কর্মীরা আগুনের মূল উৎসস্থলে পৌঁছতে পারেননি। তবে বেলা বাড়তে আগুন নিয়ন্ত্রণে(Anandapur fire incident)আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে।
আগুন লাগার প্রাথমিক অনুমান (Anandapur fire incident)
প্রাথমিকভাবে অনুমান, শর্ট সার্কিট (Anandapur fire incident) থেকে এই আগুন লাগতে পারে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, কারখানায় মজুত প্রচুর পরিমাণ পাম তেল ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন (Anandapur fire incident)দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
কারখানার এক কর্মী অভিযোগ করেছেন যে, পাশের একটি ডেকরেটার্স সংস্থার গোডাউনেও প্রচুর দাহ্য সামগ্রী রাখা ছিল, যা নিয়ে বারবার আপত্তি জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি(Anandapur fire incident)। ওই গোডাউন থেকেই আগুন ছড়িয়েছে বলে তাঁদের অনুমান।
