I-Pac
Bengal Liberty, ১৯ এপ্রিল :
বঙ্গের ভোটের উত্তাপে রবিবার সকালেই জোর জল্পনা শুরু হয়, পশ্চিমবঙ্গে নাকি সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ রেখেছে তৃণমূলের নির্বাচনী কৌশলবিদ সংস্থা আই-প্যাক (I-PAC)। খবর ছড়াতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা (I-PAC)। তবে সেই জল্পনা দীর্ঘস্থায়ী হলনা। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) কড়া ভাষায় এই দাবি খারিজ করে জানায়, আই-প্যাক কাজ বন্ধের খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, ভোটের মুখে বিভ্রান্তি ছড়াতেই এই ধরনের গুজব রটানো হচ্ছে (I-PAC)।

আইপ্যাকের কর্মীদের ছুটি ঘিরে জোর জল্পনা (I-PAC)
আজ, রবিবার সকালেই সূত্র মারফত খবর ছড়িয়ে পড়ে, আইনি বাধ্যবাধকতার কারণ দেখিয়ে বাংলার কর্মীদের ২০ দিনের ছুটিতে পাঠিয়েছে আইপ্যাক। এমনও দাবি করা হয়, কর্মীদের জানানো হয়েছে ১১ মে-র পর তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। পাশাপাশি ‘ধৈর্য ধরার’ আবেদন জানিয়ে কর্মীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে বলেও খবর রটে। ভোটের মুখে এই খবরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়। অনেকের আশঙ্কা ছিল, এমন সিদ্ধান্ত সত্যি হলে শাসকদলের প্রচার কৌশল এবং নির্বাচনী প্রস্তুতিতে তার বড়সড়ো প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছিল।

তৃণমূলের বিবৃতি (I-PAC)
ঘটনা চাউর হতেই মাঠে নেমে পরে তৃণমূল কংগ্রেস। সময় নষ্ট না করে দলের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়। যেখানে বলা হয়, “আমরা দেখেছি কিছু সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে আইপ্যাক আগামী ২০ দিনের জন্য বাংলায় কাজ স্থগিত করেছে। এই দাবি পুরোপুরি মিথ্যা। বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য এটি একটি পরিকল্পিত এবং হীন প্রচেষ্টা।” তৃণমূল আরও যোগ করে যে, আইপ্যাক আগের মতোই দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থেকে কাজ করছে এবং রাজ্যজুড়ে তাদের প্রচার কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সাধারণের মানুষের নজর ঘোরাতে এবং ভয় দেখাতে এই ধরনের বয়ান ছড়ানো হচ্ছে। বিরোধীদের নিশানা করে দলের সাফ বক্তব্য, “বাংলার মানুষ এই নোংরা ষড়যন্ত্র বুঝতে পারছে। গণতান্ত্রিকভাবে ব্যালটেই এর জবাব দেবে বাংলা।” এখানেই শেষ নয় আজ, রবিবার দুপুর থেকেই আইপ্যাক কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক শুরু করেছে বলে খবর। তৃণমূলের এই বিবৃতির পর আপাতত আই প্যাক প্রসঙ্গে জল্পনায় সিলমোহর পড়ল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
