Tribeni Kumbh Mela 2026
ত্রিবেণীর পুণ্যস্নানে ভিড়, কুম্ভমেলায় পৌঁছলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Tribeni Kumbh Mela 2026)
Bengal Liberty, Kolkata: হুগলির ঐতিহ্যবাহী ত্রিবেণী সঙ্গমে এবার পঞ্চম বর্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে কুম্ভ মেলা। ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এই আধ্যাত্মিক উৎসব চলবে, এবং যার সমাপ্তি হবে পুণ্যস্নানের মাধ্যমে। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধু-সন্তরা এসে পৌঁছেছেন এই মেলায়। তাঁদের থাকার জন্য প্রশাসনের তরফে আখড়া তৈরির পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য কড়া নজরদারির ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

পুরাণের গল্প (Tribeni Kumbh Mela 2026)
পুরাণ অনুযায়ী, সাপে কাটা লক্ষ্মীন্দরকে নিয়ে স্বর্গযাত্রার পথে বেহুলার ভেলা এই ত্রিবেণী ঘাটেই থেমেছিল বলে লোকের মুখে প্রচলিত। ইতিহাস বলছে, একসময় এই অঞ্চল ছিল প্রাচীন বাণিজ্য বন্দর সপ্তগ্রাম। বর্তমানে এখানে রয়েছে একাধিক প্রাচীন মন্দির ও ঐতিহাসিক ঘাট। এবারের মেলায় গীতাযজ্ঞ, রুদ্রাভিষেক যজ্ঞ, সহস্রনাম জপ এবং সাধুদের বিশেষ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন শক্তিপীঠের মাটি ও জল এনে যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে।
রাজ্যপালের সফর (Tribeni Kumbh Mela 2026)
এই বছরের ত্রিবেণী কুম্ভ মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সি.ভি. আনন্দ বোসের উপস্থিতি। তিনি মেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন, সাধু-সন্তদের সঙ্গে কথা বলেন এবং উৎসবের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। রাজ্যপাল জানান, ত্রিবেণী কুম্ভ মেলা শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি বাংলার ঐতিহ্য, লোকবিশ্বাস এবং সামাজিক ঐক্যের প্রতীক। তিনি নিজে এখানে এসে নিজেকে ধন্য মনে করছেন বলেও জানান রাজ্যপাল।

নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি (Tribeni Kumbh Mela 2026)
বিপুল ভিড়ের কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের তরফে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১০০-র বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে যাতে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে মেলায় অংশ নিতে পারেন।
Bangladesh -এর নির্বাচন কেন্দ্রে এ কী হাল দেখুন | Bangladesh Election | Bengal Liberty #bangladesh #bangladeshnews #bangladeshelection #bangladeshelection2026 #bengalliberty pic.twitter.com/7V7RsFyOem
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 12, 2026
ত্রিবেণী কুম্ভমেলা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং বাংলার ঐতিহ্য, আস্থা ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। আগামী দিনেও এই ঐতিহ্য একইভাবে মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের কেন্দ্র হয়ে থাকবে বলেই মনে করছেন আয়োজক ও প্রশাসনিক মহল।

