Ajit Pawar plane crash investigation
Bengal Liberty, Kolkata: মহারাষ্ট্রের প্রবীণ নেতা অজিত পওয়ার-কে ঘিরে বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সামনে এসেছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ককপিট ভয়েস রেকর্ডার থেকে তথ্য উদ্ধারের জন্য বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিচ্ছে ভারতের তদন্তকারী সংস্থা।

বিদেশি বিশেষজ্ঞের সাহায্য চাইল তদন্তকারী সংস্থা (Ajit Pawar plane crash investigation)
দুর্ঘটনার তদন্ত করছে Aircraft Accident Investigation Bureau। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (CVR) থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে প্রস্তুতকারক দেশের অনুমোদিত বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। সরকারিভাবে দেশের নাম উল্লেখ না করা হলেও সূত্রের দাবি, এই সহায়তা চাওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
দুই ধরনের ফ্লাইট রেকর্ডার ছিল বিমানে (Ajit Pawar plane crash investigation)
দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানে মোট দু’টি ফ্লাইট রেকর্ডিং সিস্টেম ছিল—ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (DFDR) ও ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (CVR)
ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডারটি তৈরি করেছে L3 Communications। এটি ইতিমধ্যেই পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ককপিট ভয়েস রেকর্ডারটি তৈরি করেছে Honeywell। এই যন্ত্রটি আগুন ও তাপে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ডেটা উদ্ধার জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে সূত্রের খবর।

দুর্ঘটনার সময় কী হয়েছিল (Ajit Pawar plane crash investigation)
গত ২৮ জানুয়ারি ব্যক্তিগত জেটে মুম্বই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন অজিত পওয়ার। অবতরণের সময় বিমানটি ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় বিমানে মোট পাঁচজন ছিলেন এবং সকলেরই মৃত্যু হয়। ফলে এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে বিস্তারিত প্রযুক্তিগত তদন্ত চালানো হচ্ছে।
Tarique Rahman oath taking ceremony@bengalliberty #TariqueRahman #bangladeshpm #bangladeshprimeminister #newbangladesh pic.twitter.com/9lnuJ6BcJx
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 17, 2026
ব্ল্যাক বক্স নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (Ajit Pawar plane crash investigation)
দুর্ঘটনার পরের দিন ধ্বংসাবশেষ থেকে ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়। নাম ব্ল্যাক বক্স হলেও এটি সাধারণত কমলা রঙের হয়, যাতে ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও সহজে শনাক্ত করা যায়। এই ব্ল্যাক বক্সের মধ্যেই থাকে—ককপিটে পাইলটদের কথোপকথনের রেকর্ড ও বিমানের উড়ান সংক্রান্ত টেকনিক্যাল ডেটা
তদন্তকারী মহলের মতে, ককপিট ভয়েস রেকর্ডার থেকে তথ্য উদ্ধার হলে দুর্ঘটনার আগে বিমানে ঠিক কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তা স্পষ্ট হতে পারে। এখন নজর ডেটা বিশ্লেষণের ফলাফলের দিকে।
