Cow Smuggling Border vigilance
Bengal Liberty Desk, ১৮ ফেব্রুয়ারি:
দেশের সীমান্ত পাহারা দেওয়া কেবল একটি চাকরি নয়, এটি কোটি কোটি মানুষের নিরাপত্তার ভরসা। সেই ভরসার জায়গায় সামান্যতম অবহেলাও দেশের জন্য বড় বিপদ হতে পারে। এই মানবিক ও কঠোর বার্তা দিয়েই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গরুপাচার (Cow Smuggling) মামলায় অভিযুক্ত এক বিএসএফ (BSF) আধিকারিকের বরখাস্তের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের স্পষ্ট কথা, সীমান্ত রক্ষার বিষয়টিকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়ার বিষয় নয়।
কী ঘটেছিল? Cow Smuggling Border vigilance
অভিযুক্ত বিএসএফ জওয়ান ভগীরথ চৌধুরী দীর্ঘ ৩৬ বছর বাহিনীতে কাজ করেছেন। তিনি সীমান্তে ১৬ নম্বর গেটে পোস্ট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, তিনি পাচারকারীদের গরু পারাপারে সাহায্য করেছেন। তবে সরাসরি গরু উদ্ধার না হলেও বা কোনো প্রত্যক্ষদর্শী না থাকলেও, পারিপার্শ্বিক তথ্য-প্রমাণ ও একজনের স্বীকারোক্তি তাঁর বিরুদ্ধেই ।

আদালতের মানবিক কিন্তু দৃঢ় পর্যবেক্ষণ Cow Smuggling Border vigilance
বিচারপতি অরবিন্দ কুমার এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের বেঞ্চ মামলাটি বিচার করতে গিয়ে বলেন, যখন জাতীয় নিরাপত্তা (National Security) নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তখন সীমান্ত রক্ষাকারী আধিকারিকদের কোনো ভুলকেই সাধারণ অপরাধ হিসেবে দেখা যায় না। তাঁদের মতে, সীমান্তের প্রহরীদের সততা নিয়ে দেশের মানুষের মনে কোনো প্রশ্ন থাকা উচিত নয়। অপরাধটি বাহিনীর নিজস্ব আইন অনুযায়ী অত্যন্ত গুরুতর।

নজরদারিতে কঠোর প্রশাসন Cow Smuggling Border vigilance
বর্তমানে দেশের সুরক্ষার সঙ্গে যুক্ত উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং আইন বিভাগের কর্মকর্তারা এই বিষয়ে ভীষণ সচেতন। সীমান্তে যাতে কোনো ধরনের অসাধু কাজ না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে তাঁরা এখন দিনরাত কঠোর নজরদারি চালাচ্ছেন।
চূড়ান্ত রায় Cow Smuggling Border vigilance
এর আগে বাহিনীর নিজস্ব আদালত বা জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্স কোর্ট ভগীরথকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল। এই সাজা মকুবের জন্য তিনি দিল্লি হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু সব দিক খতিয়ে দেখে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর আর্জি খারিজ করে দেয় এবং পুরনো শাস্তিই বহাল রাখে।
কেন এই কড়া সিদ্ধান্ত ? Cow Smuggling Border vigilance
এই রায় সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে যে, দেশের সুরক্ষায় কোনো আপস করা হবে না। বাহিনীর ভেতরে থেকেও কেউ যদি অসৎ কাজে মদত দেয়, তবে আইন তাঁর প্রতি কোনো নমনীয়তা দেখাবে না। দেশসেবার মতো মহান পেশায় সততাই যে আসল সম্পদ, এই রায় আরও একবার তা প্রমাণ করল।


