Bengal Liberty , kolkata:
ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের (NGT) পক্ষ থেকে একটি জরুরি বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে , যেকোনো উপায়ে ঘোরামারা দ্বীপকে (Ghoramara island crisis) রক্ষা করতে হবে এবং অতি দ্রুত যেন সংরক্ষণের কাজ শুরু করা হয়। প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাহায্য কর্তৃপক্ষ করবে। ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকেও বিশেষ দল নিয়োগ করে ঘোরামারা দ্বীপকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হবে।
নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আগামী ২০ বছরের মধ্যে এই দ্বীপকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব সংরক্ষণের কাজ শুরু করতে হবে, অন্যথায় দ্বীপের বাসিন্দারা চরম বিপদের সম্মুখীন হবেন।

কেন এই দুরবস্থা? Ghoramara island crisis
এলাকাবাসীর মতে, বেঙ্গল বেসিনের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ক্রমাগত ভাঙন চলছে। সব কিছু ভেঙে তছনছ হয়ে যাচ্ছে। কোনো সঠিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা নেই এবং প্রশাসনের নজরদারির অভাবে ঘোরামারা দ্বীপ আজ অস্তিত্বের সংকটে ভুগছে। প্রকৃতির এই অমূল্য সৃষ্টি এভাবে নষ্ট হতে থাকায় সাধারণ মানুষ চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তার সঙ্গে লেগেই আছে ঘূর্ণিঝড় ও প্রবল বৃষ্টি।
আরও খবর
বৃষ্টির পাশাপাশি বাড়ছে সমুদ্রের জলস্তরের উচ্চতা, যার ফলে এক সময়ের সুন্দর ও বিখ্যাত ঘোরামারা দ্বীপ ধীরে ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত দ্বীপটিকে বাঁচানো সম্ভব হবে কি না, তা সময়ই বলবে।


