Gilgit Skardu Violence 2026
Bengal Liberty Desk, ২ মার্চ: যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা ও ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে দক্ষিণ এশিয়া, বিভিন্ন দেশে শিয়া মুসলিমদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ, সংঘর্ষের ঘটনা সামনে আসছে। গত শনিবার সকালে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তার পাশাপাশি নিহত হয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাও। এই খবর সামনে আসতেই বহু দেশে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে (Gilgit Skardu Violence 2026)।
গিলগিট ও স্কারদুতে জাতিসংঘের দফতরে হামলা (Gilgit Skardu Violence 2026)
Secular dogmatism on Khamenei’s Death: ভারতীয় মুসলমান নারীরা কি পরাধীনতার বিশ্বাসী?
আরো বিস্তারিত জানতে লিংকে ক্লিক করে পুরো ভিডিওটি দেখুন: https://t.co/fS7AufdEA2
বিস্তারিত পড়ুন লিংকে ক্লিক করে: https://t.co/ZCZicxTHZd#IranWar #Israel #UnitedStates #Bengaluru #Kashmir pic.twitter.com/mb6mtbVQd5
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) March 2, 2026

প্রতিবাদ সবচেয়ে তীব্র আকার নেয় গিলগিট- বালুচিস্তানের স্কার্দু শহরে। বিক্ষোভকারীরা সেখানে স্থানীয় জাতিসংঘের একাধিক কার্যালয়ে হামলা চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। এর মধ্যে গিলগিটে ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের অফিস ভাঙচুরের পাশাপাশি অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। অন্যদিকে স্কারদুতে বিক্ষোভ আরও ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। সেখানে এসপি অফিসসহ বেশ কয়েকটি সরকারি ভবনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
গুলি চালনায় নিহত ৭, হাসপাতালে জরুরি অবস্থা (Gilgit Skardu Violence 2026)

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ নেয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে গুলিচালনার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আরও একাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর মিলেছে। ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠা পরিস্থিতির জেরে গিলগিট ও স্কার্দুর হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে গোটা এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে এবং অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
করাচিতে সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত একাধিক (Gilgit Skardu Violence 2026)

সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয় করাচি শহরে। গতকাল, রবিবার মার্কিন কনস্যুলেটের বাইরের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা গুলি চালায়। এতে অন্তত ৯ জন নিহত ও ৩৪ জন আহত হয়েছেন বলে পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে খবর। বিক্ষোভ চলাকালে রাস্তাজুড়ে ‘ইজরায়েল নিপাত যাক’, ‘আমেরিকা নিপাত যাক’ স্লোগান শোনা যায়। প্রধান ফটকের বাইরে একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও শুরু হয়।
আরও পড়ুন (Gilgit Skardu Violence 2026)-
Keir Starmer on Iran-Israel: সেফ প্লেয়ারের ভূমিকায় লন্ডন, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত বাড়ছে, কিন্তু যুদ্ধে নয়—কূটনীতির পথেই ব্রিটেন
Indian Muslims on Khamenei: ইরানে নারীর রক্তে লেখা প্রতিবাদ, আর ভারতে খামেনেইকে ঘিরে শোক, ইরানের মৌলবাদকে সমর্থন করছে ভারতের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়?
প্রশাসনের আশঙ্কা, উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

