Joy S Kamdar ED Custody
Bengal Liberty, Kolkata :
কোটি কোটি টাকার লেনদেন, তার সঙ্গে জুড়ে রয়েছে সোনা পাপ্পু ও তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা সংস্থা এই বিস্ফোরক তথ্য সামনে এনে আদালতে চাঞ্চল্য ছড়াল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ED revelation
সূত্রের খবর, জমি ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল বিপুল অঙ্কের অবৈধ লেনদেন। এই মামলায় রবিবার গ্রেফতার করা হয় ‘সান এন্টারপ্রাইজ’-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় এস কামদারকে। ইডির অভিযোগ, বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ১১০০ কোটি টাকা ঘোরানো হয়েছে। এমনকি মাত্র চার মাসের মধ্যেই প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। এত বিপুল অঙ্কের টাকার উৎস ও গন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডিজিটাল প্রমাণে বড় সূত্র ED revelation
তদন্তে নেমে কামদারের কাছ থেকে একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করেছে ইডি। সেই ডিভাইস খতিয়ে দেখে উঠে এসেছে একাধিক ভুয়ো সংস্থার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের তথ্য। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, এই লেনদেনগুলি ছিল সুপরিকল্পিত এবং বহুস্তরীয়।

সোনা পাপ্পুর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ নেক্সাস’
সোনা পাপ্পুর মতো ‘ক্রিমিনালের’ সঙ্গে জয় এস কামদারের বিরাট নেক্সাস। এর সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। তবে শুধু পরিচয় নয়, বরং আর্থিক লেনদেন ও ব্যবসায়িক যোগসূত্রও স্পষ্ট। তদন্তকারীদের বক্তব্য, এই যোগসূত্রই গোটা চক্রের মূল চাবিকাঠি হতে পারে।
দুটি কোম্পানির লেনদেনে চাঞ্চল্য
তদন্তে উঠে এসেছে ‘সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড’ নামে একটি সংস্থার নাম, যেখানে ডিরেক্টর হিসেবে রয়েছেন জয় কামদার। অন্যদিকে ‘এস পি কনস্ট্রাকশন’ নামে আরেকটি সংস্থার মালিকানা রয়েছে সোনা পাপ্পুর।।ইডির দাবি, এই দুই সংস্থার মধ্যে প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা সন্দেহের উদ্রেক করছে।
তবে এতেই শেষ নয়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামে রেজিস্টার ‘হ্যাভেন ভ্যালি’ নামের একটি সংস্থার সঙ্গেও আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। যদিও ওই সংস্থার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন অভিযুক্তের স্ত্রী। ফলে এই লেনদেন আরও রহস্য ঘনীভূত করছে।
ED-র হেফাজতের দাবি
আদালতে ইডির সাফ বক্তব্য, এই মামলার তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে। বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখনও সামনে আসেনি। তাই জয় কামদারকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। ইডির দাবি, এই চক্রে আরও একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে এবং তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
১১০০ কোটির এই আর্থিক কেলেঙ্কারি এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। একের পর এক নাম জড়াচ্ছে তদন্তে। ডিজিটাল প্রমাণ, কোম্পানির লেনদেন ও ব্যক্তিগত যোগসূত্র সব মিলিয়ে এই মামলা যে আরও বড় চক্রের দিকে ইঙ্গিত করছে, তা স্পষ্ট। এখন দেখার, তদন্তের জালে আর কারা ধরা পড়ে।
আরও পড়ুন: OG মোদির ঝালমুড়ি ট্রেন্ডের কপি ‘কালারফুল’ মদনের! ঝালমুড়ির ঝাঁঝ মাথা খেল তৃণমূলীদের?
