Kunal on Ritabrata
Bengal Liberty, ৩ জুন :
কাজের সময় কাজী/ কাজ ফুরোলেই পাজি! বিধায়ক ঋতব্রতকে দল থেকে বের করেই ক্ষান্ত হতে নারাজ তৃণমূল (Kunal on Ritabrata)। তার অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ সব ঘেঁটে ঘ করেই শান্ত হবে বিরোধী দল। এবার ঋতব্রতকে কলির কেষ্ট বানালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। একসময় সিপিএম দলকে ভিড়িয়ে নিজের দলে ঋতব্রতকে নিয়ে এসেছিল তৃণমূল। এবার সেই তৃণমূলের সত্যি বাইরে প্রকাশ করতেই শুকিয়ে গেল ঘাসফুল। প্রথমে দল বিরোধী কার্যকলাপের তকমা এখন চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন বসলেন কুণাল ঘোষ। এখন প্রশ্ন “সবজান্তা গামছাওয়াল” যদি এতই খারাপ হয় তাঁকে আরও খারাপ করতে কেন উদ্যত তৃণমূল (Kunal on Ritabrata)? এত রুদ্ধদ্বার বৈঠক, প্রতিদিন একটা করে ফেসবুক পোস্ট – লাইভ কেন? কিসের ভয় দলবদলু নেতাকে নিয়ে? দল ভাঙার? নাকি ঋতর দল প্রধান বিরোধী দলের আসন দখল করে নিতে পারে, তার?

কুনালের ফেসবুক পোস্ট (Kunal on Ritabrata)
কুণাল ঘোষ ঋতব্রতর কিছু পুরোনো ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি শুরুতেই লিখেছেন, “নে চাটন-ঋত। ছবি দিলাম। ক্ষমতা থাকলে মানহানির মামলা করে দেখা”। এরপর একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েচেন ঋতর দিকে। পোস্টে একই কথার পুনরাবৃত্তি করে লেখেন, “তৃণমূলের টিকিটে জিতে, মমতাদির ছবি ব্যবহার করে বিধায়ক হয়ে এক মাসেই এত কথা?”।
তারপরই তাঁর অতীত টেনে এনে পোস্টে আরও বলা হয়েছে, “সিপিএম থেকে তোকে তাড়াবার পর যে তৃণমূল তোকে আশ্রয় দিয়েছিল, সেখানেও বেইমানি?”। পাশাপাশি তিনি লিখেছেন, “দল নিয়ে কিছু বলার থাকলে নেত্রীকে না বলে স্পিকারকে, এত ছটফটানি?” পোস্টের শেষ অংশে কুণাল ঘোষ লিখেছেন, “তুই ‘আসল’ তৃণমূল? মানুষ এতবড় বিশ্বাসঘাতকতাকে দেখছেন”। একইসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তাদের সব কটার ইস্যু ধরে ধরে চিঠি যাবে তদন্তকারীদের কাছে”।

তৃণমূলের এত কীসের ভয়? (Kunal on Ritabrata)
ঋতব্রতকে দল থেকে বহিষ্কারের পর থেকেই একটা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, ৫০ জন MLA কে ভাঙিয়ে নব তৃণমূল গঠনের পথে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের দলে যে ভাঙন ধরেছে তা কোনোভাবেই লুকোতে অক্ষম নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনবরত ক্ষতে মলম লাগাচ্ছেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ। একবার নেত্রী একবার বিধায়ক কখনও ফেসবুক লাইভে আবার কখনও একাধিক ছবি পোস্ট করে কটাক্ষ ছুঁড়ছেন। কিন্তু এত ভয় পাচ্ছে কেন তৃণমূল? তাহলে কি সত্যি সত্যিই নব তৃণমূল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের পদ ছিনিয়ে নিতে চলেছে? উত্তর শুধুই সময় অপেক্ষা।


