Humayun Kabir security
Bengal Liberty : কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে হুমায়ুন কবীরের ‘ওয়াই-প্লাস’ ক্যাটেগরির নিরাপত্তা আচমকা প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। ইমেলের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানার পরেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিধায়ক। কেন অধীর চৌধুরী বা নওশাদ সিদ্দিকীর মতো নেতাদের নিরাপত্তা বজায় রেখে শুধুমাত্র তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল—এই বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে বৃহস্পতিবারই পুনরায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

নিরাপত্তা ছিল কেন এবং কী ঘটল? (Humayun Kabir security)
নতুন দল গঠনের পর নিরাপত্তার অভাব বোধ করায় হুমায়ুন কবীর আগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আদালতের নির্দেশেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাঁকে সুরক্ষার জন্য মোট ১৩ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান (এক জন ইন্সপেক্টর, এক জন সাব-ইন্সপেক্টর এবং ১১ জন কনস্টেবল) মোতায়েন করেছিল। কিন্তু আচমকা অমিত শাহের মন্ত্রক সেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনী সরে গেলেও, রাজ্যের পক্ষ থেকে তাঁকে পুলিশের নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে বিধায়ক জানান।

তৃণমূলকে তোপ হুমায়ুনের (Humayun Kabir security)
নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পর রাজনৈতিক মহলে পুরনো তরজা ফের উসকে দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলে সমাজমাধ্যমে তিনি সোচ্চার হয়েছেন। ‘নতুন তৃণমূল’ গঠন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, “কারা বিজেপির ‘বি’ টিম, আর কারা আসল বিজেপির দালাল, তা আজ প্রমাণিত।” এমনকি দল থেকে তাঁকে সাসপেন্ড করানোর প্রসঙ্গ টেনে তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দলের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়েও তিনি তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি নিজে কখন-ওই তৃণমূল ছাড়তে চাননি, বরং দল অন্যায়ভাবে সাসপেন্ড করায় বাধ্য হয়েই তিনি ‘আমজনতা উন্নয়ন পার্টি’ গঠন করেছিলেন।

