Philippines Earthquake
Bengal Liberty, ৮ জুন ২০২৬ :গতকাল রাত ১১:০৬ নাগাদ ভুটানসহ কলকাতা, শিলিগুড়ি এবং বাংলাদেশে(Philippines Earthquake) ৫.৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সেই আতঙ্কের রেশ কাটতে না কাটতেই সোমবার সকালে ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলের মিন্দানাও দ্বীপে আঘাত হেনেছে আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.৮, যা অত্যন্ত ভয়াবহ। পর পর দুটি ভূমিকম্পের জেরে সাধারণ নাগরিকদের মনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
আরো পড়ুন:- PoJK Protest: পাকিস্তানি রেঞ্জার ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষ: রাওয়ালকোটে নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি, প্রকৃত সংখ্যা কত?
ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান ও সুনামি সতর্কতা(Philippines Earthquake)
ফিলিপাইনে আঘাত হানা ৭.৮ মাত্রার এই শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১২৯ জন। ভূমিকম্পের তীব্রতায় বহু ভবন ধসে পড়ায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উপূকলবর্তী এলাকায় প্রশাসনের তরফ থেকে ইতিমধ্যেই সুনামির সতর্কবার্তাও জারি করা হয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, কেন বারবার এই ধরনের ভয়াবহ ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটছে?

বিশেষজ্ঞদের মত(Philippines Earthquake)
ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, ফিলিপাইন অঞ্চলটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত হওয়ায় এটি অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ। ভূগর্ভস্থ টেকটোনিক প্লেটগুলোর পারস্পরিক সংঘর্ষ এবং আকস্মিক স্থানচ্যুতির কারণেই মাটির নিচে তীব্র কম্পন সৃষ্টি হয়, যা ভূপৃষ্ঠে ভূমিকম্প হিসেবে প্রকাশ পায়। জলবায়ু পরিবর্তন বা পরিবেশ দূষণের সাথে এর সরাসরি সংযোগ না থাকলেও, বিশেষজ্ঞরা অপরিকল্পিত নগরায়ণ বন্ধ করা এবং ভূমিকম্প-প্রতিরোধী ভবন নির্মাণের ওপর জোর দিচ্ছেন।
ফের কি বড় কোনো ভূমিকম্প হবে? নেপাল বা জাপানের মতো আমাদের অঞ্চলেও কি কোনো ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে?—এমনই সব আশঙ্কায় এখন চিন্তিত সাধারণ মানুষ।


