S Jaishankar
Bengal Liberty
ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে চার ভারতীয়(S Jaishankar) নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শংকর। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর তিনি রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন।কূটনৈতিক সূত্র থেকে জানা গেছে, বৈঠকে নিহত ভারতীয়দের মৃত্যু, সামগ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

৪ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুতে উদ্বেগ(S Jaishankar)
সম্প্রতি ইউক্রেনের একটি বন্দরের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলার শিকার হয়ে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই জাহাজে কর্মরত চারজন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।এই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শংকর এবং নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

লাভরভের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা(S Jaishankar)
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে বৈঠকে জয়শংকর এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানান। পাশাপাশি যুদ্ধাঞ্চলের বাণিজ্যিক জাহাজে কর্মরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়েও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। সূত্রের খবর, রাশিয়া এই ঘটনার তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ জাতীয় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ইউক্রেন যুদ্ধ ও কৌশলগত সম্পর্ক(S Jaishankar)
বৈঠকে কেবল নাবিকদের মৃত্যুই নয়, ইউক্রেন যুদ্ধের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়। রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম দ্রুত বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে ভারতের চিরন্তন অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন জয়শংকর।অন্যদিকে, সের্গেই লাভরভ ভারত-রাশিয়া কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়েও ইতিবাচক মতবিনিময় হয়েছে।
ভারতের কড়া বার্তা(S Jaishankar)
নয়াদিল্লি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বিশ্বের যে প্রান্তেই ভারতীয় নাগরিকরা থাকুন না কেন, তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। চার ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ভারত। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ইউক্রেন সংঘাতের ভয়াবহ মানবিক প্রভাবকে আবারও সামনে এনে দিল। যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, সাধারণ মানুষ ও বিদেশি পেশাজীবীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ততটাই বাড়ছে।

