Indranil Sen
Bengal Liberty, ৯ জুন :
ইউনেসকোর নাম ভাঁড়িয়ে প্রিপুজোর টিকিট বিক্রি? অভিযোগের তির সস্ত্রীক প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে (Indranil Sen)। তৃণমূলের দুষ্কৃতী, তলাবাজির লিস্টে এবার ছাড় পেলেন না মা দুর্গাও। দুর্গাপুজোকে ঘিরে বড়সড় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। ইউনেসকোর নাম ও লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার করে প্রিপুজোর টিকিট বিক্রি এবং কোটি কোটি টাকার বাণিজ্যিক লেনদেনের অভিযোগ তুলে বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থা। একইসঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen)।

ইউনেসকোর নাম ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগ (Indranil Sen)
অভিযোগকারী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেসকোর স্বীকৃতি পাওয়ার পর ২০২২ সালে ‘মাসআর্ট’ নামে একটি সংস্থা আত্মপ্রকাশ করে। ওই সংস্থার প্রেসিডেন্ট ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুছন্দা সেন। জয়দীপবাবুর অভিযোগ, মাসআর্ট দাবি করেছিল যে ইউনেসকোর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তারা কলকাতার ২৪টি দুর্গাপুজো প্যান্ডেল নির্বাচন করেছে। সেই প্রচারকে সামনে রেখে প্রিপুজোর টিকিট বিক্রি করা হয়। কিন্তু বাস্তবে ইউনেসকোর সঙ্গে এমন কোনও চুক্তিই ছিল না। তাঁর অভিযোগ, ইউনেসকোর নাম ও লোগো ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়েছে।

ইউনেসকোর নথি জমা, তদন্তের দাবি (Indranil Sen)
অভিযোগকারী জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি সরাসরি ইউনেসকোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। সেখান থেকে তাঁকে জানানো হয়, মাসআর্ট নামে কোনও সংস্থার সঙ্গে ইউনেসকোর কোনও বাণিজ্যিক চুক্তি নেই। এমনকি সংস্থাটিকে ইউনেসকোর নাম বা লোগো ব্যবহারেরও অনুমতি দেওয়া হয়নি। এই সংক্রান্ত ই-মেল ও নথিপত্র অভিযোগপত্রের সঙ্গে থানায় জমা দেন জয়দীপবাবু। তাঁর বক্তব্য, ঘটনাটি ২০২২-২৩ সাল থেকে চললেও এতদিন তিনি প্রকাশ্যে মুখ খুলতে পারেননি। এখন নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, এই ঘটনার সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক মর্যাদার প্রশ্ন জড়িয়ে রয়েছে।অন্যদিকে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।


