NCPI
Bengal Liberty, ১৫ জুন :
বাংলার রাজনীতিতে রাতারাতি ফেমাস নাম এনসিপিআই (NCPI)। রবিবার হঠাৎই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে একটি দল, যার নাম কয়েকদিন আগেও রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তেমনভাবে উচ্চারিত হত না। আর সেই দলেই একসঙ্গে যোগ দিয়েছেন দীপক অধিকারী, মালা রায়-সহ তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ। এই দল প্রায় ৪ বছর আগে বাংলায় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের আইনজীবী শিউলি কুন্ডু। একটি জেলা থেকে দল তৈরি করেন তিনি যার লক্ষ ছিল NDA-কে সমর্থন করা। দলের প্রতিষ্ঠাতা আইনজীবী শিউলি কুণ্ডুর অবশ্য মাসখানেক আগেই সেই দলের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। আজ তাঁর হাতে গড়া ছোট্ট সংসার বড় জায়গায় পৌঁছানোই খুশি তিনি (NCPI)।

মুখ খুলতে নারাজ প্রতিষ্ঠাতা শিউলি কুণ্ডু (NCPI)
বাংলার রাজনীতিতে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত নাম এনসিপিআই (NCPI)। আর সেই দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আইনজীবী শিউলি কুণ্ডুর হাত ধরে গড়ে ওঠা এই দলেই যোগ দিয়েছেন তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। তবে গোটা বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে স্পষ্ট অনীহা শিউলির। তাঁর দাবি, মাসখানেক আগেই তিনি দলের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তাই এই বিষয়ে মন্তব্য করা তাঁর পক্ষে শোভনীয় হবে না। শিউলি কুণ্ডু বলেন, “এ ব্যাপারে দলের বর্তমান সভাপতিই কথা বলবেন। আমার কিছু বলা উচিত হবে না।” বর্তমানে দলের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করেন তিনি। তবে দলের বর্তমান সভাপতি কে, সেই প্রশ্নেরও সরাসরি উত্তর দিতে চাননি শিউলি। এমনকি বর্তমান নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নেও নীরব থাকেন তিনি। ২০ জন সাংসদের যোগদানে তিনি বলেন, “পার্টিটা অনেক বড় জায়গায় যাচ্ছে, শুনে ভালো লাগছে।” তবে আগে কোনওদিন কোনও সাংসদ যোগাযোগ করেননি বলেই জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠার চার বছর পর দল ছাড়লেন শিউলি কুণ্ডু (NCPI)
শিউলি কুণ্ডুর দাবি, ২০২২ সালে হাওড়ার সাঁকরাইল থেকে এনসিপিআই (NCPI)-এর পথচলা শুরু হয়েছিল তাঁর হাত ধরেই। দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সভানেত্রী হিসেবে শুরু থেকেই নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। ২০২৩ সালে ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেয় এনসিপিআই। একই বছরে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও অংশ নেয় দলটি। সেই সময় দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সৈকত দাস। পরবর্তীতে সংগঠন বিস্তারের লক্ষ্যে কমিটি গঠন করা হয় এবং একাধিক সদস্যও দলে যোগ দেন। শিউলির স্বামী উত্তীয় কুণ্ডুও দলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তবে প্রায় এক মাস আগে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দলের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন শিউলি কুণ্ডু। তাঁর কথায়, সমাজসেবা ও আইন পেশার ব্যস্ততার কারণেই তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।



