Sovandeb Chattopadhyay
Bengal Liberty : শনিবার সাতসকালে আচমকাই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের ভবানীপুরের বাসভবনে কড়া নাড়ল সিআইডি-র ৬ আধিকারিকের একটি বিশেষ দল (Sovandeb Chattopadhyay)। কালীঘাটে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পাশের পার্টি অফিসে বিধায়কদের সই গ্রহণের দিন ঠিক কী কী ঘটেছিল সেই সময় সেখানে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং সই সংগ্রহ প্রক্রিয়ার দায়িত্বে কারা ছিলেন? সই প্রক্রিয়ায় ঠিক কীভাবে নজরদারি চালানো হয়েছিল? সেই রহস্যের জট খুলতেই প্রবীণ তৃণমূল নেতার বাড়িতে পৌঁছে যায় টিম। এদিন প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে রাজ্যের প্রাক্তন পরিষদীয় মন্ত্রীকে জেরা করেন গোয়েন্দারা (Sovandeb Chattopadhyay)।

বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে তদন্ত তুঙ্গে (Sovandeb Chattopadhyay)
বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি সংক্রান্ত নথিতে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পরই এই বিতর্কের সূত্রপাত। এক বিধায়ক বিধানসভার সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। তার ভিত্তিতেই হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। পরে বিদ্রোহী দুই সাংসদ ঋতব্রত এবং সন্দীপনের হস্তক্ষেপে তদন্তভার সিআইডির হাতে যায়। ইতিমধ্যেই এই মামলায় তৃণমূলের একাধিক বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডি। জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেই আবহেই এবার নতুন সংযোজন শোভনদেবও।
প্রসঙ্গত, গত ৬ মে কালীঘাটে তৃণমূলের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাবের পর, ১৩ ও ১৪ মে বিধায়কদের শপথগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এরপর বিধানসভার সচিব আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবপত্র চাইলে ১৯ মে ফের কালীঘাটে বৈঠক ডাকা হয় এবং পরবর্তীতে ৭০ জন বিধায়কের সই করা একটি কাগজ জমা দেওয়া হয়। যেখানে বিরোধী দলনেতা হিসেবে নাম দেওয়া হয় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের

কী বললেন শোভনদেব?
তবে গোটা ঘটনায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, সিআইডি আগেই তাঁর কাছে রেজোলিউশন কপি বুক চেয়েছিল। কিন্তু বিষয়টি হাইকোর্টে বিচারাধীন থাকায় সেই নথি তাঁর আইনজীবীর কাছে ছিল। পরে আদালতের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নথিগুলি তাঁর হাতে আসে এবং তিনিই সিআইডিকে ফোন করে বাড়িতে আসতে বলেন। শোভনদেবের কথায়, “আমি সিআইডিকে ডেকেছিলাম এবং তাদের হাতে দুটি রেজোলিউশন কপি বুক-সহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র তুলে দিয়েছি। তদন্তে আমি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছি। তবে আমি ডাকার পর সিআইডি সংবাদমাধ্যমকে সঙ্গে নিয়ে এসেছে, এটা দুর্ভাগ্যজনক।”



