Congress West Bengal
Bengal Liberty: ২১ জুলাই নিয়ে কুণাল ঘোষের মন্তব্যের তীব্র ধিক্কার জানিয়ে পাল্টা জবাব দিল কংগ্রেস। নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি কটাক্ষ করে কংগ্রেস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে— দলের সঙ্গে আসল ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করেছেন খোদ তৃণমূল নেত্রীই (Congress West Bengal)।

প্রসঙ্গত, ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যে ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছিল, তাতে তৎকালীন প্রদেশ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা যুব কংগ্রেস তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়াননি।
কুণালের এই খোঁচার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রোহন মিত্র। তিনি লিখেছেন, ১৯৯৬ সালে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক প্রার্থীদের বিরুদ্ধে প্রার্থী দাঁড় করানোই ছিল তৃণমূল নেতৃত্বের প্রথম ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ (Congress West Bengal)। তাঁর অভিযোগ, সেই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের ফলেই সে বার কংগ্রেস একক বৃহত্তম দল হতে পারেনি। রোহন মিত্র আরও দাবি করেন, ১৯৯৬ সালেই যদি কংগ্রেস একক বৃহত্তম দল হতে পারত, তবে গত শতাব্দীতেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে সিপিএম-কে ক্ষমতাচ্যুত করা সম্ভব হতো।

শুধু তাই নয়, কুণালের এই মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও। তিনি সরাসরি আক্রমণ করে বলেন: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বুঝতে হবে, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা আজ পথভ্রষ্ট হয়ে গিয়েছেন; কারণ তাঁদের পিছন থেকে বিজেপি নিয়ন্ত্রণ করছে। ইডি (ED) বা সিবিআই (CBI)-কে ভয় পান না, এমন সৎ ও সাহসী নেতাদের জন্য আমাদের দলের দরজা সব সময় খোলা রয়েছে।”
দুই শিবিরের এই তীব্র তরজা ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে (Congress West Bengal)। এই রাজনৈতিক চাপানউতোর থেকে একটা বিষয় জলের মতো স্পষ্ট— কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের সঙ্গে যতই সখ্য বাড়ানোর চেষ্টা করুন না কেন, রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ব তাঁকে কোনো ভাবেই রেয়াত করতে রাজি নয়।

