Abhishek Banerjee
Bengal Liberty : বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে বিধায়কদের সই জালিয়াতির অভিযোগ ঘিরে চলা আইনি লড়াইয়ে আপাতত স্বস্তি পেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দ সিআইডির তদন্তাধীন মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচের মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়ে দেন। ফলে তদন্তে সহযোগিতা করতে হলেও আপাতত এই সময়ের মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার বা তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না সিআইডি। একই দিনে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানিও শেষ হয়েছে। ডিভিশন বেঞ্চ রায়দান স্থগিত রাখায় রাজনৈতিক ও আইন, দুই ক্ষেত্রেই এই মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে (Abhishek Banerjee)।

অভিষেকের রক্ষাকবচ বহাল (Abhishek Banerjee)
গত ১১ জুন বিচারপতি কৌশিক চন্দ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেওয়ার পাশাপাশি ভবানী ভবনে উপস্থিত হয়ে সিআইডির তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। শুক্রবার সেই নির্দেশের সময়সীমা আরও এক মাস বাড়িয়ে দেন আদালত। আগামী বৃহস্পতিবার মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। আদালতের এই নির্দেশের ফলে আপাতত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা বা তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে তদন্তকারী সংস্থাকে। তবে তদন্ত প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার নির্দেশ বহাল রয়েছে।

বিরোধী দলনেতা নিয়োগ নিয়ে শুনানি শেষ (Abhishek Banerjee)
এদিনই বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চে বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে নিয়োগের বৈধতা নিয়ে মামলার শুনানি শেষ হয়। আদালত রায়দান স্থগিত রেখেছে। স্পিকারের পক্ষে রাজ্যের অ্যাডিশনাল অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জনের স্বাক্ষরযুক্ত চিঠির ভিত্তিতেই ৩ জুন অধ্যক্ষ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।
অন্যদিকে, কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ১৯ মে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া চিঠিকে গুরুত্ব না দিয়ে স্পিকার দীর্ঘদিন নীরব ছিলেন। পরে কাউকে না জানিয়েই নিজের চেম্বারে বসে একতরফাভাবে বিরোধী দলনেতা নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন, যা সম্পূর্ণ পক্ষপাতদুষ্ট এবং বেআইনি। তাঁদের দাবি, একক বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করে স্পিকারের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হোক। যদিও এর আগে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের একক বেঞ্চ স্পিকারের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছিলেন। এখন ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আরও পড়ুন :
Abhishek Banerjee: সই জালিয়াতি মামলায় অভিষেকের আবেদনে রাজ্যকে নোটিশ হাইকোর্টের

