Abhishek Banerjee
Bengal Liberty : রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে কার্যত তালাবন্ধ ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার কার্যালয় (Abhishek Banerjee)। প্রশাসনের দাবি, বেআইনি ভাবে তৈরি করা হয়েছিল এই কার্যালয়। একাধিক নোটিস ও তলবের পরও সন্তোষজনক জবাব না পেয়ে অবশেষে কঠোর অবস্থান নিল প্রশাসন। ভাঙার কাজ শুরু হল ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের ৫ তলার কার্যালয়। প্রথমে ৩ টি বুলডোজার নিয়ে আসা হয়। উপস্থিত হয় পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী, দমকল, বিডিও, বিএলআরও। ভাঙার কাজ শুরু হতেই উল্লাস শুরু করে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। কার্যালয়ের সামনে শোনা যায়, ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের দাবি, ‘এই কার্যালয় থেকেই একাধিক বেআইনি কাজের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করা হত।’ তাঁরা জানান, প্রশাসনের এই পদক্ষেপে খুশি তাঁরা (Abhishek Banerjee)।

একাধিক নোটিসের পর কড়া পদক্ষেপ (Abhishek Banerjee)
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ জুন প্রথম নোটিস পাঠানো হয়েছিল আমতলার কার্যালয়ে। পরে ৭ জুলাই আরও একটি নোটিস দেওয়া হয়। পাশাপাশি ১৫ জুলাই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ওই নোটিসগুলির কোনও জবাব দেননি। এরপর শনিবার সকাল থেকেই কার্যালয় চত্বরে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে গোটা এলাকা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন প্রশাসনিক আধিকারিক ও দমকল কর্মীরাও। যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলে প্রশাসনের দাবি।

ভেঙে ফেলার কাজ চলছে (Abhishek Banerjee)
প্রশাসনের দাবি, সংশ্লিষ্ট কার্যালয়টি বৈধ বিল্ডিং প্ল্যান বা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে। নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্মাণ সংক্রান্ত বৈধ নথিও জমা দেওয়া হয়নি। এছাড়া যে জমির উপর কার্যালয়টি তৈরি হয়েছে, সেটি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে কেনা হয়েছিল। সেই নথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে বলেও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। পরপর ২টি নোটিসের জবাব না পেয়ে এবার বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। যদিও, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এর আগেও কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট এবং কালীঘাট রোডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি ঠিকানায় বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে কলকাতা পুরসভা নোটিস পাঠিয়েছিল।


