Newtown Case
Bengal Liberty
নিউটাউনের আবাসনে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু এক তরুণীর। রবিবার রাতে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ (Newtown Case)। ওই ফ্ল্যাট থেকেই রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে তাঁর লিভ ইন সঙ্গীকেও। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল এলাকায়।

ঘটনার প্রেক্ষাপট Newtown Case
মৃতার নাম তৃষা সাহা। বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে। মাস চারেক আগে সৌভিক রায় নামে নৈহাটির এক যুবকের সঙ্গে নিউটাউনের চণ্ডীবেড়িয়ায় একটি আবাসনে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, নেটপ্রভাবী তৃষার বয়স মাত্র ২৫ বছর। রবিবার রাতে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁর লিভ ইন সঙ্গী সৌভিককেও রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁর হাতের শিরা কাটা ছিল। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তৃষার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। একটি ঘর থেকে গুরুতর জখম অবস্থায় সৌভিককে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপড়েন থেকে খুন করে আত্মহত্যার চেষ্টা হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি পরিষ্কার নয়। তৃষার শরীরের নানা জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁর লিভ ইন সঙ্গীও কী ভাবে আহত হলেন, সেটাও জানার চেষ্টা চলছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘‘তৃষাকে মারধরের পর ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল কি না এবং তার পর সৌভিক আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন কি না, সে বিষয়টি দেখা হচ্ছে। এখনই কোনও সিদ্ধান্তে আসছি না আমরা। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সৌভিকের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’’ তিনি আর বলেন, ‘‘ওই যুবকের হাতের শিরা কাটা। ওই অবস্থায় তিনি প্রেমিকার ঝুলন্ত দেহ জড়িয়ে ধরিয়েছিলেন হয়তো। তাই মৃতার পায়েও রক্ত লেগে ছিল।’’

ফ্ল্যাটের মালিক জানাচ্ছেন, ওই যুগলের মধ্যে কখনও গন্ডগোল বা ঝগড়াঝাটি ছিল বলে তাঁদের জানা নেই। তাঁর কথায়, ‘‘দু’জনের ব্যবহার ভাল। দু’জনেই চাকরি করে। কখনও ওদের ঝগড়া করতে শুনিনি। ঠিক কী হল, বুঝতে পারছি না।’’ তৃষার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আপাতত রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে নিউটাউন থানার পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ওই ফ্ল্যাটটি সিল করে দেওয়া হয়েছে।

