US Airstrikes Iran
Bengal Liberty
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার(US Airstrikes Iran) মধ্যেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। পরমাণু চুক্তি বাতিল হওয়ার পর থেকেই ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানাপোড়েন ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।সম্প্রতি বাহরাইন, কুয়েত এবং জর্দানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একাধিক মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পরই নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ।

হুঁশিয়ারির পরেই ভয়াবহ হামলা(US Airstrikes Iran)
মার্কিন সেনাকর্মীদের মৃত্যুর পরই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানকে ‘উচিত শিক্ষা’ দেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি। সেই ঘোষণার পরেই ইরানের রাজধানী তেহরানকে লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।

বিকট বিস্ফোরণের জেরে পুরো শহরজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উঠতে দেখা গিয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।
তেহরানে দশম আঘাত(US Airstrikes Iran)
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ নিয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানে দশমবারের মতো বড় ধরনের হামলা চালানো হলো। দফায় দফায় বিস্ফোরণে শহরের বেশ কিছু এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে জোরদার করা হয়েছে কড়া নজরদারি।অন্যদিকে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ ‘হরমুজ প্রণালী’ ঘিরেও দুই দেশের সামরিক তৎপরতা তুঙ্গে উঠেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক মহলেও গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বশক্তিগুলো সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। তবে এই হামলার পর সংঘাত আরও বড় আকার নেবে, নাকি দুই পক্ষই কূটনৈতিক পথে সমাধানের চেষ্টা করবে—এখন সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থির পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।


