Suvendu vs Mamata
Bengal Liberty
পুরনো কাসুন্দি ঘেঁটে ফের একবার মমতার(Suvendu vs Mamata) পরাজয় মনে করালেন শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের বাজেটের জবাবি ভাষণে পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দেগে বলেন, “এনার বাড়িতে কাজ করা লোকেরাও চোখ মারে। বলে ভোট আপনাকে দিচ্ছি।” আসলে রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু হয় না। আজ যিনি উপেক্ষিত, কাল তিনিই হয়তো সিংহাসনের দাবিদার। ২০১১ সালের এক ব্রিগেড সমাবেশ। পরিবর্তনের প্রবল জোয়ারে ভাসছে গোটা বাংলা।

মঞ্চের এক কোণে কার্যত নীরব দর্শক হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সেই তরুণ নেতা, যিনি জঙ্গলমহল আর পূর্ব মেদিনীপুরে বামেদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন। সেদিন তাঁর হাতে মাইক ছিল না, ছিল এক বোঝা। কে জানত, সেই মানুষটির হাতেই ১৫ বছর পর লেখা হবে বাংলার নতুন ইতিহাস? ২০২৬ সালের মে মাসে খোদ ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫ হাজার ভোটে হারিয়ে বাংলার প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সেই উপেক্ষিত সেনাপতি-শুভেন্দু অধিকারী। এদিন, সেই পরাজয়ের কথায় মনে করালেন শুভেন্দুর তৎকালীন নেত্রী মমতাকে।

আজকের প্রজায় কালকের রাজা(Suvendu vs Mamata)
শুধুমাত্র সিংহাসন পেয়েছেন তাই নয়, সিংহাসনে বসা মাত্র একের পর এম দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজের বুথে পরাজয় থেকে শুরু করে তৃণমূলের রাজনৈতিক আচরণ, শহরের পরিস্থিতি এবং দলীয় কর্মসূচি, একাধিক ইস্যুতে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান তিনি।

শুভেন্দুর দাবি, ২০১৪ সালে মিত্র ইনস্টিটিউশনের নিজের বুথেই পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু একটি নয়, মিত্র ইনস্টিটিউশনের চারটি বুথেই তিনি হেরেছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, “এমনকি আপনার বাড়িতে কাজ করা লোকেরাও চোখ মেরে বলে, ভোট আপনাকেই দিচ্ছি।”
একইসঙ্গে শহিদ দিবসের কর্মসূচি প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, “ডিম-ভাত খাওয়ানোর জন্য আমরা নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম দিতে প্রস্তুত ছিলাম।” সবশেষে কালীঘাট তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেন, “আপনি বিকেলে চপ খেতে খেতে ফেসবুক করুন, ওখানেই থাকুন।”

