Us Saudi Deal
Bengal Liberty
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের(Us Saudi Deal) মধ্যে ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি সাক্ষর হতে চলেছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরব সফরেই এই চুক্তিতে সাক্ষর করতে পারেন, অথবা সৌদির যুবরাজ মহাম্মদ বিন সালমান নিজেই দু’দিনের মার্কিন সফরে এসে গুরুত্বপূর্ণ এই চুক্তিতে সাক্ষর করতে পারেন।

যদিও দুই তরফের পক্ষ থেকেই এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি, তবুও প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী খুব শীঘ্রই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও একটি প্রেস কনফারেন্সে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারেন।যুদ্ধের তীব্র উত্তেজনার মধ্যেও দুই রাষ্ট্র একে অপরের উপর ভরসা রেখে নিজেদের সম্পর্ক আরও মজবুত করতে বদ্ধপরিকর। এবার দেখে নেওয়া যাক, দুই দেশের এই পরমাণু চুক্তি বিশ্বের মানচিত্রে কী কী বদল আনতে চলেছে।
চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি(Us Saudi Deal)
পারমাণবিক অবকাঠামো(Us Saudi Deal)
সৌদি আরবে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে মার্কিন কোম্পানিগুলি, যেমন ওয়েস্টিংহাউস, মূল ভূমিকা পালন করবে।

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ(Us Saudi Deal)
একটি যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার পর, চুক্তিটি সৌদি আরবকে নিজেদের ভূখণ্ডে পারমাণবিক চুল্লির জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সুযোগ দিতে পারে।

আন্তর্জাতিক নজরদারি(Us Saudi Deal)
চুক্তিটিতে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA)-এর বাড়তি প্রোটোকল বা অতিরিক্ত তদারকির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যা অস্ত্র বিস্তারের শঙ্কা নিয়ে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
পরমাণু চুক্তির পরে কি আবারও সৌদি আরবে হামলা করবে ইরান?(Us Saudi Deal)
যুদ্ধের শুরু থেকেই আমেরিকার মিত্র রাষ্ট্রগুলির উপর মর্মান্তিক হামলা চালিয়েছিল ইরানের সেনা।তারই সঙ্গে সৌদি আরবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার আরামকো তেল রিফাইনারিতেও লাগাতার ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা চালিয়েছিল তেহরান।এখানেই প্রশ্ন উঠছে, চুক্তি সাক্ষরের পরেই কি আবারও সৌদি আরবে হামলা শুরু করবে ইরান?

আমেরিকাকে বিশেষ বার্তা দেওয়ার জন্যই কি আক্রমণের লক্ষ্য হবে সৌদির সাধারণ নাগরিক? এই নিয়েই আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের কারণ সৃষ্টি হয়েছে।পাশাপাশি চলছে তুমুল জল্পনা। একদিকে ইরানকে বারবার পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচির ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে আমেরিকা, অন্যদিকে আবার সৌদি আরবের সঙ্গে সেই পরমাণু চুক্তি সাক্ষর করছে।এই বিষয়টি নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

