Bengal Liberty : বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী মহম্মদ নাজিবুদ্দিন ওরফে টুলু মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে সামনে এল নতুন তথ্য (Tulu Mondal)। সরকারি নথি বলছে, তাঁর নামে মহম্মদবাজার গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে কোনও ট্রেড লাইসেন্সই ইস্যু করা হয়নি। বেআইনি বালি মজুত, পাচার এবং আর্থিক অনিয়মের তদন্তের মাঝেই এই তথ্য সামনে আসায় টুলু মণ্ডলের ব্যবসা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে (Tulu Mondal)।

পঞ্চায়েতের জবাবে বড় তথ্য (Tulu Mondal)
তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৭ জুলাই মহম্মদবাজার থানার পুলিশ গ্রাম পঞ্চায়েতের কাছে একটি চিঠি পাঠায়। ওই চিঠিতে টুলু মণ্ডলের পার্কিং লট ও রোড কনস্ট্রাকশন ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্সের সার্টিফায়েড কপি চাওয়া হয়। মহম্মদবাজারের বিএলঅ্যান্ডএলআরও পার্কিং লটে বেআইনি বালি মজুত ও পাচারের অভিযোগের তদন্তেই এই তথ্য চাওয়া হয়েছিল। এরপর ১৪ জুলাই মহম্মদবাজার গ্রাম পঞ্চায়েত লিখিতভাবে জবাব দেয়। সরকারি জবাবে স্পষ্ট জানানো হয়, টুলু মণ্ডলের নামে পঞ্চায়েত থেকে কোনও ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হয়নি। পুলিশের চিঠি এবং পঞ্চায়েতের এই জবাব এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ব্যবসা চলল কীভাবে? (Tulu Mondal)
সরকারি নথি সামনে আসতেই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কীভাবে এতদিন পার্কিং লট ও রোড কনস্ট্রাকশনের ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছিল। সংশ্লিষ্ট ব্যবসাগুলি আইন মেনেই চলছিল, নাকি দীর্ঘদিন প্রশাসনের নজর এড়িয়ে কাজ চলেছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, টুলু মণ্ডলের আর্থিক লেনদেন, সম্পত্তির উৎস, বালি ও পাথর ব্যবসার নথি-সহ একাধিক বিষয় ইতিমধ্যেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নতুন এই সরকারি নথি তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ মোড় এনে দিতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই টুলু মণ্ডলের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য নিয়ে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে।
আরও খবর
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/08/02/tulu-mondal-2/


