Bengal Liberty
ফের মধ্যপ্রাচ্যের(Middle East War 2026) সংঘাতে নতুন মোড়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলা এই যুদ্ধের এখনও পর্যন্ত কোনও নিষ্পত্তি হয়নি। প্রাথমিকভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি হামলা না চালালেও, সৌদি আরব-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর ওপর বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হাউথিরা। এই হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। ২০২২ সালের পর ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর ওপর এটিই হাউথিদের সবচেয়ে বড় হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলার পর হাউথিরা সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে নিরাপত্তারক্ষীরা সরে না গেলে তাঁদের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। অনেক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের মতে, এই হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকেও একটি কৌশলগত বার্তা দিতে চেয়েছে ইরান-সমর্থিত হাউথিরা।

হামলার পর ইয়েমেন সরকারের তরফে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।
সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে(Middle East War 2026)
“ইরানপন্থী হাউথিদের এই মর্মান্তিক হামলার জবাব আমরা অবশ্যই দেব। এই ধরনের কাপুরুষোচিত হামলা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। নিরীহ মানুষের, বিশেষ করে শিশুদের যে পরিণতি হয়েছে, তা অত্যন্ত মর্মান্তিক। এই হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।” তবে প্রশ্ন উঠছে, এই মুহূর্তে হাউথিদের এমন হামলার নেপথ্যে কী কারণ থাকতে পারে? যখন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক বার্তা দেওয়া হচ্ছে, তখন নতুন করে এই হামলার তাৎপর্য কী?
আরও খবর

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মার্কিন প্রশাসন একদিকে শান্তির বার্তা দিলেও, অন্যদিকে তাদের সামরিক অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ইরান-সমর্থিত হাউথিদের এই হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া ও অবস্থান যাচাইয়ের চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই ব্যাখ্যার স্বাধীন কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও পাওয়া যায়নি। যত সময় গড়াচ্ছে, ততই মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও জটিল ও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে এবং কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে।



