Bengal Liberty : শুক্রবার জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মধ্য আমেরিকার দেশ পানামা। রিখটার স্কেলে ৭.৭ মাত্রার কম্পনে কেঁপে উঠল বিস্তীর্ণ এলাকা। ক্ষতিগ্রস্ত হল বাড়িঘর, ব্যাহত হল বিদ্যুৎ পরিষেবা। সেই সঙ্গে জারি করা হল সুনামি সতর্কতা।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার গভীর রাতে হঠাৎই কেঁপে ওঠে পানামা। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল পিতালোজা আরিবা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৭, যা অত্যন্ত শক্তিশালী বলে বিবেচিত। পানামার পাশাপাশি ইকুয়েডর, পেরু, নিকারাগুয়া ও গুয়াতেমালা-সহ একাধিক দেশেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের জেরে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানির খবর না মিললেও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। তাঁদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সরকার ও প্রশাসনের তরফে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ চালানো হচ্ছে। পানামার আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সমুদ্রে ৩ থেকে ৪ মিটার উঁচু ঢেউ উঠতে পারে। ভূমিকম্পের পর থেকেই উত্তাল হতে শুরু করেছে সাগর। সূত্রের খবর, মূল কম্পনের পর পানামায় একাধিক আফটারশক বা পরাঘাতও অনুভূত হয়েছে।
আরও খবর
ভেনেজুয়েলা ও ইকুয়েডরের ভূমিকম্পের ঘটনার পর এ বার মধ্য আমেরিকার আর এক দেশ পানামায় এমন বিপর্যয়ের আশঙ্কা ঘিরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। বারবার কেন ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে, এর নেপথ্যে কী কী কারণ রয়েছে, তা এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞের মতামত
“বিশ্বজুড়ে বা নির্দিষ্ট কোনও অঞ্চলে ইদানীং ঘন ঘন ভূমিকম্পের অন্যতম প্রধান কারণ হল ভূতাত্ত্বিক পাতের স্বাভাবিক নড়াচড়া, দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চিত শক্তির মুক্তি এবং জনবহুল এলাকার কাছাকাছি ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র থাকা।
বিশ্বজুড়ে ভূমিকম্পের প্রকৃত সংখ্যা আদৌ বেড়েছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য দীর্ঘমেয়াদি তথ্য বিশ্লেষণ করা জরুরি। উন্নত পর্যবেক্ষণব্যবস্থা এবং সংবাদমাধ্যমে খবরের ব্যাপক প্রচারের কারণে ভূমিকম্পের ঘটনা আগের তুলনায় বেশি নজরে আসতে পারে। তবে আগামী দিনে ভূমিকম্পের প্রবণতা আরও বাড়বে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।”


