Bengal Liberty
১৬৫৬ শুধু কোনো সংখ্যা নয়, এই সংখ্যার(Russia Ukraine)পেছনে লুকিয়ে আছে রক্তাক্ত যুদ্ধের ইতিহাস। ১৬৫৬ দিন অতিক্রম করে গেলেও এখনো অবধি রাশিয়া – ইউক্রেন যুদ্ধের কোনো নিষ্পত্তি হয়নি। যত সময় এগিয়েছে, ততই যুদ্ধের আঁচ ও তীব্রতা ছাড়িয়েছে। ড্রোন, মিসাইল, ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় জর্জরিত হয়েছে সাধারণ মানুষ। ইউক্রেনের আস্ত একটা শহর তো ভূতের শহর বলেই চিহ্নিত হয়েছে। সব মিলিয়ে স্বজনহারাদের কান্না, মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। প্রতিদিন দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে।


এরই মধ্যে যুদ্ধকে দীর্ঘায়ু করতে ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতির আজব পদক্ষেপ। যুদ্ধের অস্ত্র কিনতে পর্ন ইন্ডাস্ট্রিকে ‘বৈধ’ করছেন ভ্লাদিমীর জেলেনস্কি। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিশ্বজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া মিলেছে। কারোর দাবি, নিজের দেশকে বাঁচাতে জেলেনস্কির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো উচিত। কেউ কেউ আবার মনে করছেন, বড্ড বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধের থেকেও বেশি যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলেও নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত?
যুদ্ধ লড়তে কেন পর্ন ইন্ডাস্ট্রিকে ‘বৈধ’(Russia Ukraine)
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে যুদ্ধের সূচনার পর থেকেই ইউক্রেনের দেউলিয়া অবস্থা, সেনা ও অস্ত্রের সংখ্যা কম থাকার দরুন ইউক্রেনের বাসিন্দাদের যুদ্ধে লড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। তবে রাশিয়ার বিশাল সেনার সামনে ব্যাকফুটে চলে গেলেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন। সূত্রের খবর, যুদ্ধের অতিরিক্ত খরচা বহন করতে পারছেন না জেলেনস্কি। এখনো অবধি ২ কোটি ৫০ লক্ষ ডলার যুদ্ধে খরচ, নিজের বেতনটুকু না নিয়ে যুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। সেই কারণেই অর্থের জোগান দেওয়ার জন্যই পর্ন ইন্ডাস্ট্রিকে বৈধ করছেন তিনি। এতে রোজগারের সঙ্গে বিপুল অর্থের জোগান বাড়বে। বিশ্বজুড়ে পর্ন ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির থেকেও দ্বিগুণ। সেই কারণেই যুদ্ধের খরচ বহন করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনেস্কি।
আরও খবর
সমালোচনার ঝড়(Russia Ukraine)
তবে এর পাশাপাশি নানাদিক দিয়ে সমালোচনাও হচ্ছে যুদ্ধের খরচ বহন করার জন্য কেনই বা পর্ন ইন্ডাস্ট্রিকে বৈধ করতে হবে? রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কেন তিনি আলোচনায় বসছেন না? রিপোর্ট অনুযায়ী, তরুণ ছেলে-মেয়েরা পর্ন ইন্ডাস্ট্রির ওয়েবসাইটে বেশি সময় ব্যয় করেন। যুদ্ধের জন্য কেনই বা তরুণদের জীবন নিয়ে খেলা হবে? এতে তো অপরাধের প্রবণতা আরও বাড়বে। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহল এখন দ্বিধাবিভক্ত। মশা মারতে কামান দাগার মতোই যুদ্ধের নেশায় ইউক্রেন দেশটাই পুরোপুরি শ্মশানে পরিণত হয়েছে, এমনটাই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।



