Bengal Liberty
ছোটবেলা থেকেই কোথাও অন্যায়(Adhir Ranjan Chowdhury) হলে মানুষকে বলতে শুনেছি, ‘‘কোর্টে যাব, বিচার চাই।’’ বিচার ব্যবস্থার ওপর সেই আস্থা আজও সাধারণ মানুষের মধ্যে অটুট। সেই ভরসাকে সম্বল করেই বাংলার লক্ষ লক্ষ বঞ্চিত মানুষের পক্ষে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর আবেদনের মূল বক্তব্য—ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্যার দ্রুত নিষ্পত্তি অত্যন্ত জরুরি।

আবেদন নিষ্পত্তির গতি(Adhir Ranjan Chowdhury)
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়ায় বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। নাম বাদ পড়ার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আপিল করার সুযোগ থাকলেও, ট্রাইব্যুনালগুলিতে সেই আবেদন নিষ্পত্তির গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অধীরবাবুর দাবি, এই মন্থর গতিতে কাজ চললে বহু মানুষকে আবেদনের নিষ্পত্তির অপেক্ষাতেই জীবনের দীর্ঘ সময় পার করে দিতে হবে।
এই পরিস্থিতিতেই বাংলার প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে দ্রুত সমাধানের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। SIR-সংক্রান্ত আপিলগুলির শুনানি ও নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও দ্রুত করার দাবি জানানো হয়েছে তাঁর আবেদনে।

দ্রুত সমস্যা সমাধানের আর্জি(Adhir Ranjan Chowdhury)
এদিকে আজই SIR সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনের কাছে ট্রাইব্যুনালে জমা পড়া আপিলের বর্তমান পরিস্থিতির বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। তালিকা থেকে বাদ পড়া ৬০ লক্ষ নামের মধ্যে ৩৩ লক্ষ নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় যুক্ত করার নির্দেশ দেয় আদালত। বাকি ২৭ লক্ষ মানুষের মধ্যে কতগুলি আপিল দায়ের হয়েছে, তার মধ্যে কতগুলির নিষ্পত্তি হয়েছে এবং কতগুলি এখনও বিচারাধীন—সেই তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনকে।
আরও খবর

আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, শুধু আপিল করার সুযোগ থাকলেই চলবে না, সেই আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তিও নিশ্চিত করতে হবে। আগামী ২৫ আগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত রয়েছে।যদিও সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ—ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া মানেই নাগরিকত্ব হারানো নয়; তবে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর মতে, এই ২৭ লক্ষ মানুষ চরম অনিশ্চয়তা ও অস্তিত্বের সংকটে ভুগছেন। সর্বোপরি, অধীর রঞ্জন চৌধুরীর এই নতুন আবেদনটি SIR-পরবর্তী আপিল প্রক্রিয়ার গতি এবং ২৭ লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হওয়া প্রশ্নটিকে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এল।


