Bengal Liberty
আমেরিকা ও ভারতের মধ্যে কয়েকদিনের(India Us)ভেতরেই নরম গরম পরিস্থিতির মধ্যেই সম্পর্ক চলছিল। কখনো ৫০ শতাংশ শুল্কের হুঁশিয়ারি, কখনো আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি কিলার বলে সম্বোধন করা—বিগত কয়েকদিনের মধ্যেই ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কে নতুন নতুন মোড় নিতে দেখা গেছে।

তিনদেশের গড়িমসি(India Us)
তবে এবারের ভারত-আমেরিকার সম্পর্কের মধ্যে ইরানের নামটাও জড়িয়ে পড়ল। সম্প্রতি কিরঘিস্তানে ২৬তম এসসিও সম্মেলনে (সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ানের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। এমনকি এই মাসেই ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিক্স শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সরাসরি আবেদন জানানো হয়েছিল ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ানকে। ভারতের আমন্ত্রণপত্র মেনে নিয়েই রাজধানী নয়াদিল্লিতে উপস্থিত থাকতে চলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। তারপরেই ক্ষুব্ধ আমেরিকা। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও। বললেন, “কোনও দেশেরই ইরানকে নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তা করা উচিত নয়।”
কেন ক্ষুব্ধ আমেরিকা(India Us)
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন,
আরও খবর
“ইরানের মতো একটি দেশ, যারা সমানে আমেরিকার সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে, তাঁদের পুরোপুরি একঘরে করে দেওয়া উচিত। ইরানের উপর একাধিক নির্দেশিকা জারি হওয়া সত্ত্বেও কেন ভারত ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলেছে, এটা সত্যি খুবই চিন্তার। এই প্রবণতা শীঘ্রই বন্ধ না হলে আগামীদিনে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কতটা মজবুত থাকবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। আমি কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গেই সম্পর্ক খারাপ করতে চাই না।”
ভারতের পরবর্তী পদক্ষেপ(India Us)
ভারতের সঙ্গে ইরানের বন্ধুত্ব আমেরিকা কেন পছন্দ করছে না, তার নেপথ্যে অনেকগুলি কারণ উঠে এসেছে।প্রথম কারণ, আমেরিকা কখনোই চাইবে না শত্রু রাষ্ট্রের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্ক ভালো হোক। এতে আলাদা গোষ্ঠী হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। এতে আন্তর্জাতিক মহলে আমেরিকা অনেকটাই ক্ষমতাহীন হয়ে যাবে। এরই সঙ্গে রাশিয়ার সঙ্গেও ভারতের সম্পর্ক হোয়াইট হাউস কখনোই মান্যতা দেবে না।

এই নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকার দরুন ভারত-সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের উপরেও ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকার মনের মতো কিছু না হলেই সঙ্গে সঙ্গে তারা নানান কার্যকলাপ করে অন্য দেশের উপর বিভিন্ন রকম গড়িমসি করতে থাকে। তাঁদের মনে হয়, তাঁদের ক্ষমতা কমে যাবে। আর এমনিতেই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বিশ্ব অস্বীকার করলেও আমেরিকা অনেকটাই সমস্যার মধ্যেই রয়েছে—এমনটাই মত সংশ্লিষ্ট মহলের। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেইদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের। তবে আমেরিকা যে ব্যাকফুটে আছে, তা বিশ্বের দরবারে পুরোপুরি রাষ্ট্র হয়ে গেছে। নতুন কোনো সমীকরণ নাকি পাল্টা কোন দিকে মোড় নেবে, পরিস্থিতি?



