West Bengal Elections
Bengal Liberty, কলকাতা ১৯ মার্চ ২০২৬ :
” দল আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে, এর ফল দলকে ভুগতে হবে।”
এইভাবেই কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের তিন বারের বিধায়ক ও ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ মন্ত্রী তাজমুল হোসেন(West Bengal Elections) ।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গেছে। বিরোধী দল বিজেপি ও শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের প্রার্থী নির্বাচন করেছে। প্রার্থী নির্বাচনের পরেই শাসক দলের বিরুদ্ধে জায়গায় জায়গায় ক্ষোভ, মিছিল ও স্লোগান শোনা যাচ্ছে। স্থানীয় নেতাদের একটাই কথা— “প্রার্থী আমাদের নয়, বহিরাগত।”
এরই মধ্যে নতুন করে যুক্ত হলো তাজমুল হোসেনের নাম। টানা তিনবার হরিশ্চন্দ্রপুর থেকেই জয়লাভ করেছেন এই পুরনো তৃণমূল সৈনিক। এবারেও আশা ছিল টিকিট পাবেন, কিন্তু গত মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকায় বেজায় চটেছেন তিনি।

জার্সি বদলের পুরুষ্কার (West Bengal Elections):
তার জায়গায় এই কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সদ্য বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া মতিউর রহমানকে। ২০২১ সালে হরিশ্চন্দ্রপুর কেন্দ্র থেকেই তাজমুলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। কিন্তু এবার সম্পূর্ণ উল্টো ছবি।
দলের পুরনো মুখকে সরিয়ে নতুন মুখ আনার পরিকল্পনায় এগোচ্ছে শাসক দল। এর সঙ্গে আরেকটি বিষয়ও স্পষ্ট হয়ে উঠছে— দলের রাস এখন অনেকটাই পরিবর্তিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুরুত্ব ধীরে ধীরে কমে এমন জায়গায় পৌঁছেছে, যেখানে তার সিদ্ধান্তকে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তাদের মতে, প্রার্থী তালিকা দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাই এখন শেষ কথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্ররা এখন শুধুমাত্র সান্ত্বনা পুরস্কারেই সীমাবদ্ধ।

➡️ https://t.co/5YVDY5JSyV বিস্তারিত পড়ুন লিংকে ক্লিক করে
Suvendu Adhikari at Bhawanipore ভবানীপুরে হাইভোল্টেজ লড়াই@bengalliberty @SuvenduWB @BJP4Bengal @MamataOfficial @AITCofficial #WestBengalPolitics #westbengalelection2026 #westbengalnews #westbengal pic.twitter.com/3Hh5zLtktm— Bengal Liberty (@bengalliberty1) March 19, 2026
দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক প্রাক্তন মন্ত্রী (West Bengal Elections):
” দল আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। এর ফল দলকে ভুগতে হবে। পার্টি এখন I-PAC দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। পুরনো লোকেদের আর দরকার নেই। ভালো কাজ করেও আমি আজ ব্রাত্য হলাম।
শুধু আমার সঙ্গে নয়, এই এলাকার প্রত্যেক বাসিন্দা যারা তৃণমূল করে, তাদের সবার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। অন্য প্রার্থী দলে টাকা ছড়িয়ে টিকিট পেয়েছে।
আমার সঙ্গে জনসমর্থন আছে। এর ফল দলকে ভুগতে হবে।”
এইভাবেই কড়া হুঁশিয়ারি দিতে শোনা গেল প্রাক্তন বিধায়ক ও মন্ত্রীকে।
প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই দিকে দিকে বিক্ষোভের ছবি ধরা পড়ছে— চুঁচুড়া থেকে শুরু করে ক্যানিং পূর্ব, আর এখন হরিশ্চন্দ্রপুর। জায়গা বদলালেও ছবির খুব একটা পরিবর্তন চোখে পড়ছে না।
এবার দেখার, শাসক দল কীভাবে এই বিক্ষোভ সামাল দেয়। তার সঙ্গে আবারও একটি বিষয় স্পষ্ট— আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি অনেকটাই এগিয়ে।
আরও পড়ুন :
নির্বাচনী বিধি বজায় রাখতে তৎপর পুলিশ(Baruipur Incident): বারুইপুরে লক্ষাধিক টাকাসহ গ্রেফতার ১
