Election security
Bengal Liberty Desk, Kolkata:
বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র ৩ দিন বাকি। তার আগে আজ সোমবার ভোটের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে মালদা সফরে আসেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আরগওয়াল। সেখানে জেলার উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং প্রার্থীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সারলেন।

মালদায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক Election security
সোমবার সকাল প্রায় সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনি মালদা জেলার প্রশাসনিক ভবনে পৌঁছান। সেখানে, আসন্ন নির্বাচনের আগে ভোটের পরিবেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী বিধি মেনে প্রচার কার্যক্রম ঠিকভাবে চলছে কিনা, জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল তা পর্যালোচনা করা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা এবং প্রশাসনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা ভোটের সময় সম্ভাব্য সমস্যা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন দাবি ও অভিযোগ তুলে ধরেন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সেই বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সকালের বৈঠকের পর বেলা প্রায় ১১টা নাগাদ মালদা কলেজ অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের নিয়ে আরেকটি বড় বৈঠক করার কথা রয়েছে। এই বৈঠকে ভোটগ্রহণের প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি, ইভিএম ও ভিভিপ্যাট মেশিনের নিরাপত্তা, ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং ভোটের দিন কীভাবে সার্বিক পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
বিশেষ নজরে অতিসংবেদনশীল ভোট কেন্দ্রগুলি
সূত্রে খবর, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কোথায় কোথায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা দরকার, সংবেদনশীল ও অতিসংবেদনশীল বুথগুলোর পরিস্থিতি কেমন—এসব বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, সেই দিকেই বিশেষ জোর দেন তিনি। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জেলায় গিয়ে এই ধরনের পর্যালোচনা বৈঠক করছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তারই অংশ হিসেবে এই মালদা সফর। প্রশাসনের মতে, এই ধরনের বৈঠক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং সুষ্ঠু করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আরও পড়ুন: ‘প্যাক প্যাক’ কর্মীদের চাকরি দিচ্ছেন মমতা! ২৬ হাজার চাকরিপ্রার্থী বাতাসা? কটাক্ষ শুভেন্দুর
