West Bengal SIR
Bengal Liberty, ২০ এপ্রিল :
সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ জারির পরও পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (SIR) বা তথ্যগত অসঙ্গতি নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া ঘিরে বিতর্ক থামছে না (West Bengal SIR)। বরং ট্রাইব্যুনালের কাজ নিয়ে নতুন করে গুরুতর অভিযোগ তুলে সোমবার ফের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট যে গাইডলাইন মেনে অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল, বাস্তবে তার কোনও প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।কামাতের অভিযোগ, ট্রাইব্যুনালে আইনজীবী এবং আবেদনকারীদের প্রবেশে করতে দেওয়া হচ্ছেনা। ট্রাইবুনালের আবেদনগুলি কম্পিউটারে বিবেচনা করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি (West Bengal SIR)।

মামলাকারীর অভিযোগ (West Bengal SIR)
আইনজীবী দেবদত্ত কামাতের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর সংক্রান্ত অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল সেই নির্দেশ মেনে কাজ করছে না। তাঁর অভিযোগ, ট্রাইব্যুনালের কার্যপ্রণালী স্বচ্ছ বা বিচারসঙ্গত নয়, বরং প্রক্রিয়াগত বাধা তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, ট্রাইবুনালে আইনজীবীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি আবেদনকারীদেরও ট্রাইবুনালে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আবেদনগুলি সরাসরি শুনানির মাধ্যমে নয়, কম্পিউটারভিত্তিক পদ্ধতিতে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট যে গাইডলাইন দিয়ে ট্রাইবুনাল পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছিল, বাস্তবে তার প্রতিফলন নেই বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের অসন্তোষ, জবাব তলবের ইঙ্গিত (West Bengal SIR)
মামলাকারীর বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ কড়া প্রতিক্রিয়া জানান। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী প্রশ্ন তোলেন, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ জারির পরও কেন পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত অভিযোগ বারবার আদালতের সামনে উঠে আসছে? প্রায় প্রতিদিন নতুন আবেদন জমা পড়া এবং আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে কেন? এই বিষয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি।

আদালতের পর্যবেক্ষণ, যদি নির্দেশ যথাযথভাবে কার্যকর হয়ে থাকে, তাহলে ট্রাইব্যুনালের কাজকর্ম নিয়ে এমন ধারাবাহিক অভিযোগ ওঠার কারণ ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের কাছে জবাব চাওয়া হবে। সুপ্রিম কোর্ট কেন ট্রাইব্যুনালের কাজ ঠিকমতো হচ্ছে না এবং কেন আবেদনকারীদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হচ্ছে না, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চায়।
