Ritabrata Bandyopadhya
Bengal Liberty:
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কারণে আইনি লড়াইয়ে নামছে তৃণমূল (Ritabrata Banerjee)। আগামী সোমবার এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করবে প্রাক্তন শাসকদল। এটি সংবিধান, বিধানসভার রীতি এবং দলত্যাগ বিরোধী আইনের পরিপন্থী বলে দলের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে।

স্পিকারকে চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের
গত ৩ জুন বিদ্রোহী বিধায়কদের চিঠিকে স্বীকৃতি দেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ ঘোষ। চিঠিতে ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থনের দাবি করা হয়েছিল। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের ‘আসল মালিকানা’ বিদ্রোহী শিবিরের হাতে গিয়েছে বলেও কার্যত স্পষ্ট হয়ে যায়। দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় বিদ্রোহী বিধায়কদের ভূমিকা আগে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন ছিল বলে দাবি তৃণমূলের একাংশের। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শাসকদল। বহিষ্কৃত হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। এরপরই তাঁরা ‘বিদ্রোহী শিবির’ একজোট করেন। পরে ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থনের দাবি করে স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দেওয়া হয়।

স্পিকারের স্বীকৃতিও পান ঋতব্রত। তারপরই সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘আজ থেকে বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যাত্রা শুরু।’ একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘পরামর্শদাতা’ হিসেবে দেখতে চান বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব এই অবস্থান মানতে নারাজ। দলের মতে, নির্বাচিত বিধায়কদের একটি অংশের সমর্থন থাকলেই কোনও গোষ্ঠী মূল রাজনৈতিক দলের উত্তরাধিকার দাবি করতে পারে না। সেই কারণেই স্পিকারের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ চাওয়া হবে। এখন নজর সোমবারের দিকে।

