TMC Leader Left
Bengal Liberty: হুগলি জেলা পরিষদের সদস্য বলাগড়ের যুব নেত্রী কয়েকমাস আগে চর্চায় এসেছিলেন বলাগড়ের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে। মনোরঞ্জন ব্যাপারী রুনার বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন সেসময় (TMC Leader Left)।পাল্টা রুনাও দিয়েছিলেন বিধায়ককে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ময়দানে নামতে হয়। একসময় রাজ্যের যুব তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ নেত্রী ছিলেন। নির্বাচনে হারের পরেই দল ছাড়ার সিন্ধান্ত নেত্রীর।

বিস্ফোরক ফেসবুক পোস্ট (TMC Leader Left)
দলের বিপর্যয় ও রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ইঙ্গিত পেয়েই দলত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন রুনা। ফেসবুকে দল ছাড়ার ঘোষণা করে তিনি জানান— মানুষের রায়কে মানতে হবে। সরকার পরিবর্তন হয়েছে এবং নতুনদের কাজের জন্য পরিসর দেওয়া উচিত। মানুষের কাজ করতে গেলে যে রাজনীতিই করতে হবে, তার কোনো মানে নেই। রাজনীতি মানুষের কাছে পৌঁছানোর একটা মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু সেটাই একমাত্র পথ নয়। রুনা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করলাম”।
হুগলিতে তৃণমূলের একের পর এক ইস্তফা, কোণঠাসা শাসক দল
উল্লেখ্য, রুনা খাতুনের স্বামী অরিজিৎ দাস এখনো বলাগড়ের সিজা কামালপুর পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধান। তবে লোকসভা নির্বাচনে হুগলি জেলায় তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে পদত্যাগের হিড়িক। কেউ কাউন্সিলর, কেউ বা পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন। এমনকি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীও রাজনীতি ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছেন। সেই তালিকায় এবার নয়া সংযোজন রুনা খাতুন। একের পর এক হেভিওয়েট নেতার দলত্যাগ ও নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়ার ঘটনায় হুগলি জেলায় কার্যত চরম সাংগঠনিক সংকটে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস।

