Congress News
Bengal Liberty : রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলবদলের রাজনীতি ঘিরে প্রদেশ কংগ্রেসের অন্দরেই তীব্র বিবাদ শুরু হলো। তৃণমূলের বিদায়ী নেতাদের কংগ্রেসে নেওয়া নিয়ে সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের নীতির বিরুদ্ধে এবার প্রকাশ্যেই সোচ্চার হলেন দলের সাধারণ সম্পাদক আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়।
দলের অন্দরে তীব্র সংঘাত (Congress News)
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য যেখানে তৃণমূল নেতাদের জন্য দলের দরজা বন্ধ রাখার বার্তা দিয়েছেন, সেখানে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার তাঁদের জন্য দরজা হাট করে খুলে দিয়েছেন। শুভঙ্করবাবুর এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন, “১৫ বছরের চুরি ও মানুষকে লুট করা দলের নেতাদের দায়িত্ব আমরা নিচ্ছি না। সাদা জামায় কাদা লাগাব না।” তৃণমূল নেতাদের দলে নেওয়ার এই নীতি সাধারণ কংগ্রেস কর্মীরা কোনওভাবেই মেনে নেবেন না বলে তিনি জানান।

মহারাষ্ট্র মডেলের ছোঁয়া (Congress News)
এর আগে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূলের ভাঙন প্রসঙ্গে শুভঙ্কর সরকার কটাক্ষ করে বলেছিলেন, “দ্যাখ কেমন লাগে!” তিনি দাবি করেন, যেভাবে বিধায়করা দলের বিরুদ্ধে গিয়ে মিটিং করছেন, তা আসলে ‘মহারাষ্ট্র মডেল’-কে মনে করিয়ে দিচ্ছে। শুভঙ্করবাবু জানান, তাঁরা দল ভাঙানোর খেলায় নেই, তবে আরএসএস ও বিজেপি বিরোধী যে কেউ কংগ্রেসে আসতে চাইলে তাঁদের স্বাগত। কিন্তু সভাপতির এই ‘স্বাগত’ জানানোর নীতিই এখন কংগ্রেসের অন্দরে বড় ফাটল ধরিয়ে দিল।

সাংগঠনিক ক্ষতির আশঙ্কা (Congress News)
তৃণমূলের এই অস্বস্তির সুযোগ নিয়ে কংগ্রেস যখন নিজেদের জমি শক্ত করতে চাইছে, ঠিক তখনই শীর্ষ নেতৃত্বের এই অন্তর্দ্বন্দ্ব দলের নীচুতলার কর্মীদের বিভ্রান্ত করছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন সরকার গঠনের পর যেখানে কংগ্রেসের একজোট হয়ে লড়াই করার কথা, সেখানে এই চড়া সুর ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল দলের সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও দুর্বল করে দিতে পারে।

