Abhishek Banerjee
Bengal Liberty : দুর্নীতি যেন পিছু ছাড়ছে না অভিষেকের। ১৪ থেকে ১৬ ম্যারাথন জেরার পরও আবার নতুন করে অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের হল এফআইআর (Abhishek Banerjee)। প্রথমে সই জাল কাণ্ডে সিআইডির তলব, পরবর্তীতে নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির তলব এবং তারপর নির্বাচনী জনসভায় ‘ডিজে বাজানো’ নিয়ে করা একটি বক্তব্যকে ঘিরে সিআইডির তলবে লক্ষ্মী ছেলের মতো হাজিরা দিয়েছেন তিনি। তবে এত বছরের দুর্নীতির জাল কি তিনদিনে শেষ হওয়ার ছিল? ফের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক এফআইআর দায়ের হল বিষ্ণুপুর থানা এবং কালিতলা আসুতি থানায়। দুটি এফআইআরই দায়ের করেছেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ বিশ্বাস ওরফে ববি। একদিকে, ৩০০ কোটি টাকার মাটি চুরির অভিযোগ। অন্যদিকে, ২০২০ সালের আমফান ত্রাণ বণ্টনে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির দায়ে ধুঁকছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (Abhishek Banerjee)।

বেনিয়মের পাহাড় অভিষেকের বিরুদ্ধে (Abhishek Banerjee)
এই দুর্নীতির জাল ঠিক কতটা বিস্তৃত, তা বোঝাতে গিয়ে মারাত্মক কিছু তথ্য তুলে ধরেছেন ওই বিজেপি নেতা। তাঁর অভিযোগ, নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একই ফোন নম্বরে ৬-৭ জন এবং একটিমাত্র ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৭-৮ জনকে ক্ষতিপূরণের টাকা পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি, একই পরিবারের ১১-১২ জন সদস্যও বেআইনিভাবে এই সরকারি অনুদান পেয়েছেন। এই বেনিয়মের বিরুদ্ধেই শনিবার বিষ্ণুপুর থানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৎকালীন বিডিও, পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান এবং জেলা পরিষদের সভাপতি-সহ একাধিক প্রশাসনিক কর্তার বিরুদ্ধে বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিলের টাকা তছরূপের অভিযোগে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়। পরবর্তীতে এফআইআর দায়ের করেন বিজেপি নেতা।

৩০০ কোটির মাটি কেলেঙ্কারির অভিযোগ (Abhishek Banerjee)
সোমবার রাতে কালীতলা আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ বিশ্বাস ওরফে ববি। অভিযোগে নাম রয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী সুমিত রায় এবং বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল-সহ মোট ২৩ জনের। বিজেপি নেতার দাবি, ২০১৭ সাল থেকে ধাপে ধাপে এলাকার বিস্তীর্ণ জমি থেকে বেআইনিভাবে মাটি কেটে বিক্রি করা হয়েছে। ২০২২ ও ২০২৩ সালে এই কর্মকাণ্ড আরও বাড়ে। তাঁর অভিযোগ, প্রশাসনের কাছে বারবার বিষয়টি জানানো হলেও কোনও কার্যকর তদন্ত হয়নি। ফলে নতুন করে সমস্ত তথ্যপ্রমাণ-সহ থানায় অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। তারই বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হল।



