Awami League Rally
Bengal Liberty, প্রাইমা হোসেন, বিশিষ্ট সমাজসেবিকা, ঢাকা: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের (Awami League Rally) পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে—মিথ্যা মামলা, হামলা ও রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার করে জনগণের ন্যায্য আন্দোলনকে কখনো দাবিয়ে রাখা যাবে না। জনগণের ওপর জুলুম চালিয়ে, পুলিশ-র্যাব-বিজিবি নামিয়ে স্বতঃস্ফূর্ত গণজোয়ারকে থামানোর চেষ্টা করলে এর পরিণাম হবে ভয়াবহ।

জনগণের বিবেকের আন্দোলন ও রাষ্ট্রযন্ত্রের সীমাবদ্ধতা (Awami League Rally)
বিবৃতিতে বলা হয়, “শুধু মুখে বলে দিলেই কোনো আন্দোলন স্তব্ধ করা যায় না। জনগণের আন্দোলন আদেশে চলে না, চলে বিবেকের তাড়নায়। পুলিশ, র্যাব বা বিজিবি দিয়ে জনগণের হৃদয়ের ক্ষোভের আগুন নেভানো সম্ভব নয়। আজ যারা রাষ্ট্রক্ষমতা ও বাহিনী ব্যবহার করে অবদমন করতে চাচ্ছেন, তাদের মনে রাখতে হবে—এই সাধারণ জনগণের ট্যাক্সের টাকায় এবং তাদের ঘামে গড়া পরিশ্রমের পয়সা দিয়েই রাষ্ট্র ও সব বাহিনী চলে।”

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি ইতিহাসের আহ্বান
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব সময় জনগণের বন্ধু। তারা যদি আজ জনগণের মুখোমুখি অবস্থানে গিয়ে দাঁড়ায়, তবে তাদের অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হবে। ইতিহাস সাক্ষী—জনগণের মৌলিক অধিকারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে অতীতে কোনো শক্তিই টিকে থাকতে পারেনি।

চলমান কর্মসূচি ও গণজোয়ারের ডাক (Awami League Rally)
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও সব গণতান্ত্রিক কর্মসূচি রাজপথে চলমান রয়েছে। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদী মিছিল ও আন্দোলন খুব দ্রুত সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়বে। রাজপথে নামবে লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত গণজোয়ার। জনগণের অধিকার সম্পূর্ণভাবে আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবে।”

বুদ্ধির উদয় হোক
পরিশেষে বলা যায়, জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে কখনো ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না। মিথ্যা মামলা আর হামলা দিয়ে জনগণের কণ্ঠ সাময়িকভাবে রুদ্ধ করা গেলেও তা স্থায়ী হয় না। সময় থাকতে সংশ্লিষ্ট সবার সুবুদ্ধির উদয় হোক—এটাই হোক মূল প্রত্যাশা।
আরও পড়ুন:
আওয়ামী লীগ ফিরবে দাঁতভাঙা জোয়ারের মতো


