Keir Starmer Resignation
Bengal Liberty, ২২ জুন ২০২৬: জল্পনার অবসান! বেশ কিছুদিন ধরেই জোর গুঞ্জন চলছিল যে ব্রিটেনের(Keir Starmer Resignation) প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করতে পারেন। লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ, স্থানীয় নির্বাচনে দলের বিপর্যয়, পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ ঘিরে বিতর্ক

এবং সরকারের একাধিক নীতিগত ব্যর্থতার অভিযোগে ক্রমশ চাপে পড়ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কিয়ার স্টারমার। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল লেবার পার্টি। কিন্তু মাত্র ২৩ মাসের মধ্যেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হল যে স্টারমারের সামনে পদত্যাগ ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা রইল না।
কিয়ার স্টারমারের ইস্তফার কারণ(Keir Starmer Resignation)
দলের অভ্যন্তরে বিদ্রোহ ও নির্বাচনী বিপর্যয় : পরপর কয়েকটি স্থানীয় ও আঞ্চলিক নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফল দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়িয়ে তোলে। দলের একাংশ নেতৃত্বের পরিবর্তনের দাবি জানাতে শুরু করে। অ্যান্ডি বার্নহ্যাম-সহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা প্রকাশ্যে নেতৃত্বের সমালোচনা করেন, ফলে স্টারমারের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি পায়।


ম্যান্ডেলসন বিতর্ক : পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়। বিরোধীরা এই নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং বিষয়টি সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
অর্থনৈতিক সংকট ও জনঅসন্তোষ : দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় সংকট, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থর গতি এবং অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। এর ফলেও সরকারের জনপ্রিয়তা দ্রুত হ্রাস পায়।
এরপর কে বসবেন মসনদে(Keir Starmer Resignation)
স্টারমারের পদত্যাগের পর লেবার পার্টির নতুন নেতৃত্ব নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচিত নাম অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। দলের একাংশ মনে করছে, বর্তমান সংকট কাটিয়ে উঠতে তাঁর নেতৃত্বই লেবার পার্টিকে নতুন দিশা দেখাতে পারে। তবে নতুন নেতা নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।


