CM Suvendu Adhikari
Bengal Liberty : মঙ্গলবার রাজ্যপালের বাজেট-ভাষণের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। বিশেষ করে ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতার পরাজয়কে সামনে রেখে তিনি কড়া ভাষায় কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য ঘিরে বিধানসভায় তুমুল হইচই শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়কেরা ওয়াকআউট করেন। এরপরই তাঁদের উদ্দেশে কটাক্ষ ছুড়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari)।

ভবানীপুরের ফলাফল তুলে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর (CM Suvendu Adhikari)
ভবানীপুর কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল প্রসঙ্গ তুলে মঙ্গলবার বিধানসভায় বক্তৃতা করেন শুভেন্দু। বক্তব্যে তিনি বেলডাঙার ঘটনা, মহাকুম্ভ নিয়ে মমতার মৃত্যুকুম্ভ মন্তব্য এবং রামমন্দির ইস্যুর প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে সেইসব মন্তব্যের জবাব দিয়েছে। শুভেন্দু বলেন, “বেলডাঙার ঘটনা নিয়ে বলেছিলেন, ওরা তো শুক্রবার একটুআধটু করবে, আমি কী করতে পারি! মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার থেকে রামমন্দিরের বিরুদ্ধে মিছিল করেছিলেন। বাংলার মানুষ তার জবাব দিয়েছে। আজ আপনি বাড়িতে বসে আমার কথা শুনছেন। আমি বলেছিলাম, ২০২৬ সালে উত্তর দেব। জনগণ সেই উত্তর দিয়েছে।”

ওয়াকআউট বিদ্রোহী শিবিরের (CM Suvendu Adhikari)
শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে বিধানসভায় শুরু হয় তুমুল হইচই। এরপর ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কেরা। পরে তাঁরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। সম্প্রতি ঋতব্রত-শিবির নতুন সাংগঠনিক কমিটি ঘোষণা করেছে, যেখানে মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাখা হয়নি। সেই ঘটনার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। বিদ্রোহী বিধায়কদের ওয়াকআউটের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “শুনতে খারাপ লাগছে তো? আমরা যখন বিরোধী ছিলাম, আপনারা যে আচরণ করেছেন, মানুষ তার জবাব দিয়েছে। মানুষের রায় মেনে নিন।” এরপর আরও কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “কালীঘাট তৃণমূল থেকে গেল। নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করা তৃণমূল পালিয়ে গেল।”


