England Vs DR Congo Review
Bengal Liberty: হ্যারি কেনের দুরন্ত পারফরম্যান্সের সামনে থেমে গেল বিশ্বকাপের মঞ্চে ৫২ বছর পর ফেরা ডিআর কঙ্গোর স্বপ্নযাত্রা। ম্যাচের মাত্র ৭ মিনিটেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার দুর্দান্ত গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় কঙ্গো। এরপরও সেড্রিক বাকাম্বুদের একাধিক আক্রমণ ইংল্যান্ডের রক্ষণকে চাপে ফেললেও ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি আফ্রিকার দলটি।
এক গোলে পিছিয়ে পড়েও ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে ইংল্যান্ড। ম্যাচ যত শেষের দিকে গড়ায়, ততই বাড়তে থাকে থ্রি লায়ন্সদের আক্রমণের তীব্রতা। যখন মনে হচ্ছিল কঙ্গোই বড় অঘটন ঘটিয়ে শেষ ষোলোয় পৌঁছে যাবে, ঠিক তখনই অধিনায়কের মতো সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেন হ্যারি কেন।

দ্য হ্যারি কেন শো (England Vs DR Congo Review)
ম্যাচের ৭৫ ও ৮৬ মিনিটে পরপর দুটি দুর্দান্ত গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দেন হ্যারি কেন। তাঁর জোড়া গোলেই শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করে থ্রি লায়ন্সরা। এই জয়ের মাধ্যমে ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পিছিয়ে থেকেও জয়ের স্বাদ পেল ইংল্যান্ড, ভাঙল দীর্ঘদিনের নেতিবাচক রেকর্ড।

সামনে মেক্সিকান চ্যালেঞ্জ (England Vs DR Congo Review)
আগামী সোমবার, ৬ জুলাই, মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোয় অন্যতম আয়োজক দেশ মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। এখনও পর্যন্ত পুরো প্রতিযোগিতায় একটিও গোল হজম করেনি মেক্সিকো, ফলে তাদের রক্ষণভাগ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে হ্যারি কেনদের সামনে। তাই শেষ ষোলোর এই লড়াই যে হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে, তা বলাই যায়। এখন দেখার, মেক্সিকান চ্যালেঞ্জ উতরে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারে কি না ইংল্যান্ড, নাকি নিজেদের দুর্দান্ত জয়ের ধারা বজায় রাখবে মেক্সিকো।



