South Korea Football
Bengal Liberty
চলতি বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এ’ থেকে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা নকআউট পর্বে প্রবেশ করলেও, প্রতিযোগিতার অন্যতম ‘ডার্ক হর্স’ দক্ষিণ কোরিয়া সবাইকে(South Korea Football) অবাক করে দিয়ে বিদায় নিয়েছে। প্রথম ম্যাচে চেকিয়ার (চেক প্রজাতন্ত্র) বিরুদ্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল এশিয়ান টাইগার্সরা।


কিন্তু পরের দুটি ম্যাচেই হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যায় তারা। দেশে ফিরে বিমানবন্দরে নামার পরপরই সমর্থকদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়েন ফুটবলাররা। এমনকি ব্যাপক জনরোষ ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েন দলের প্রধান কোচ হং মিউং-বো এবং খেলোয়াড়রা। এই পরিস্থিতির পরই কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি, যা নিয়ে ফুটবল মহলে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।
বিতর্কিত নিয়োগ(South Korea Football)
২০২৪ সালে হং মিউং-বোকে জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই ফুটবল ভক্ত ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছিল। অভিযোগ ওঠে, কোনো স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অবলম্বন না করে কেবল ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে তাকে এই পদে বসানো হয়েছে।

প্রশ্নের মুখে দল নির্বাচন(South Korea Football)
প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়ার পর, দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকোর বিরুদ্ধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দুটিতে দলের অধিনায়ক ও তারকা ফুটবলার সন হিউং-মিন এবং লি কাং-ইনের মতো প্রধান খেলোয়াড়দের কেন একাদশের বাইরে রাখা হয়েছিল—তা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন সমর্থকরা। ভুল কৌশলের কারণেই দলকে ভুগতে হয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

ভক্তদের ক্ষোভ ও সরকারি তদন্ত ব্যাপক জনরোষের প্রেক্ষিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে-মিউং কোরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (KFA) বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। কোন রহস্যের চাবিকাঠিতে হং মিউং-বো কোচের পদ পেয়েছিলেন, এবং দলের এই বিপর্যয়ের পেছনে কেবলই কি ভুল কৌশল ছিল নাকি অন্য কোনো বড় অনিয়ম লুকিয়ে আছে—তা নিয়েই এখন জল্পনা তুঙ্গে।


