Erdogan Gift
Bengal Liberty
তুরস্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত দুই দিনের ন্যাটো(Erdogan Gift ) শীর্ষ সম্মেলনের সমাপনী টানতেই বিভিন্ন ঘটনা খবরের শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে। প্রথমেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও স্পেনের মধ্যকার পারস্পরিক দূরত্ব সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

এর পাশাপাশি ইউক্রেনকে নতুন করে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার ঘোষণার ফলে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি যে ফের উত্তপ্ত হবে, তা বলাই বাহুল্য। তবে এসবের মাঝেই যুক্ত হয়েছে আরেকটি নতুন জটিলতা ও বিতর্ক। আর এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন খোদ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তাঁর দেওয়া একটি বিশেষ উপহারকে কেন্দ্র করেই এখন বিশ্বজুড়ে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
এরদোয়ানের বিতর্কিত উপহার(Erdogan Gift)
তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান জোটের সদস্য দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের একটি করে ভিনটেজ রিভলভার উপহার দিয়েছেন, যেগুলোতে নেতাদের নাম খোদাই করা ছিল। শুধু তাই নয়, উপহারের বাক্সে তাজা গোলাবারুদও রাখা ছিল। মূলত তুরস্কের ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতেই তিনি এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন। তবে এই অপ্রত্যাশিত উপহার পেয়ে বিশ্বনেতারা এক চরম বিপাকে পড়েন এবং কঠোর নিরাপত্তা প্রোটোকলের কারণে নিজ নিজ দেশে ফিরে নানা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হন।

বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী(Erdogan Gift)
বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী বার্ট ডি ওয়েভার দেশে ফিরে বিমানবন্দরে লাগেজ তল্লাশির সময় তাঁর ব্যাগে রিভলভার ও গুলি দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো বিমানবন্দর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

বিস্মিত অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধানরা(Erdogan Gift)
অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাও এই উপহার নিয়ে বেশ সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন
আরো পড়ুন:-
Indian Army: নিয়ন্ত্রণরেখায় সেনাপ্রধান ধীরজ শেঠ! খতিয়ে দেখলেন নিরাপত্তা ও যুদ্ধ প্রস্তুতি
ডাচ, সুইডিশ ও ইতালির প্রধানমন্ত্রী(Erdogan Gift)
নেদারল্যান্ডস, সুইডেন এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি নিজ নিজ দেশে ফিরে এই অস্ত্রগুলো তাঁদের দূতাবাস বা সরকারি দপ্তরে জমা দিয়েছেন।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানিয়েছেন, তাঁর পাওয়া রিভলভারটি ইতিমধ্যেই নিষ্ক্রিয় (ডিঅ্যাক্টিভেট) করা হয়েছে।
ইউরোপীয় কমিশন ও গ্রিস(Erdogan Gift)
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লেয়েন এবং গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী তাঁদের উপহার পাওয়া রিভলভারগুলো সামরিক জাদুঘরে দান করার পরিকল্পনা করেছেন। তুর্কি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এমকেই (MKE)-এর নব্বইয়ের দশকে তৈরি ‘গুমুশায় .৩৫৭ ম্যাগনাম’ (Gumusay .357 Magnum) মডেলের এই রিভলভারগুলো একটি করে সুদৃশ্য কাঠের বাক্সে দেওয়া হয়েছিল, যার ওপর তুরস্কের পতাকা ও ন্যাটোর লোগো খোদাই করা ছিল। এরদোয়ানের এই চমকপ্রদ ও বিতর্কিত উপহার বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন শেষ হতে না হতেই একের পর এক নেতিবাচক ও সংবেদনশীল বিষয় সামনে আসছে। আগামী দিনগুলোতে এই সামরিক জোট আর কী কী নতুন বিতর্কে জড়াবে, তা নিয়েই এখন বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে।

